Beanibazarer Alo

  সিলেট     বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমি কাউকে ধর্ষণ করিনি: এপস্টাইন ইস্যুতে ট্রাম্প

admin

প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ | ১২:১৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ | ১২:১৩ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
আমি কাউকে ধর্ষণ করিনি: এপস্টাইন ইস্যুতে ট্রাম্প

Manual7 Ad Code

ডিজিটাল ডেস্ক :
ওয়াশিংটনে ‘হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনার’ অনুষ্ঠানে সশস্ত্র হামলার চেষ্টা চালানো কোল অ্যালেন নামের এক ব্যক্তির ইশতেহারের উদ্ধৃতি দেওয়ায় এক সাংবাদিকের ওপর প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

রোববার (২৭ এপ্রিল) সিবিএস নিউজ-এর নোরাহ ও’ডোনেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প নিজেকে কোনো ধরনের অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িত নন বলে জোরালো দাবি করেন। এক পর্যায়ে মেজাজ হারিয়ে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, ‘আমি ধর্ষক নই, আমি কাউকে ধর্ষণ করিনি।’

Manual3 Ad Code

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা অত্যন্ত ‘ভয়ংকর’ এবং তারা জেনেশুনেই একজন ‘অসুস্থ’ ব্যক্তির আজেবাজে কথা প্রচার করছেন। তিনি মনে করেন, ইশতেহারে উল্লিখিত শব্দগুলো মূলত প্রয়াত কলঙ্কিত অর্থদাতা জেফ্রি এপস্টাইনের সঙ্গে তার সম্পর্ককে ইঙ্গিত করে বলা হয়েছে, যদিও ইশতেহারে এপস্টাইনের কোনো নাম ছিল না।

Manual5 Ad Code

ট্রাম্প দাবি করেন, এসব বিষয়ের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই এবং তিনি সব অভিযোগ থেকে পুরোপুরি মুক্তি পেয়েছেন। উল্টো তিনি ডেমোক্র্যাট শিবিরের নেতাদের দিকে আঙুল তুলে বলেন যে, এপস্টাইন বা অন্যান্য কেলেঙ্কারিতে ওপাশের মানুষরাই জড়িত ছিলেন। নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি বলেন, ‘আপনার লজ্জা হওয়া উচিত একজন অসুস্থ মানুষের লেখা এসব আবর্জনা পড়ার জন্য, কারণ আমি এর কোনোটিই নই।’

হামলাকারী ৩১ বছর বয়সী ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা কোল টমাস অ্যালেন সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, তিনি ওই ব্যক্তির ইশতেহার পড়েছেন এবং তার মনে হয়েছে অ্যালেন একজন ‘উগ্রবাদী’ ও ‘খ্রিস্টান-বিদ্বেষী’ মানুষ। ট্রাম্পের মতে, অ্যালেন আগে বিশ্বাসী খ্রিস্টান থাকলেও পরবর্তীতে ধর্মবিদ্বেষী হয়ে ওঠেন।

এই রাজনৈতিক সহিংসতার জন্য প্রেসিডেন্ট ডেমোক্র্যাট নেতাদের ‘বিদ্বেষমূলক বক্তব্য’ বা ‘হেট স্পিচ’-কে দায়ী করেছেন। তিনি দাবি করেন, বিরোধীদের বিপজ্জনক বক্তব্যই দেশে এ ধরনের অস্থিরতা তৈরি করছে। গত দুই বছরে এটি ট্রাম্পের ওপর তৃতীয় দফার প্রাণনাশের চেষ্টা হলেও তিনি জানান, গুলির শব্দ শুনে তিনি মোটেও উদ্বিগ্ন হননি।

ঘটনার সময় নিজের সাহসিকতার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, যখন সিক্রেট সার্ভিস তাকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল, তখন তিনি নিজেই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে চেয়েছিলেন। সেই সময় ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হলেও ট্রাম্প নিজে খানিকটা সময় নিয়েছিলেন কারণ তিনি দেখতে চেয়েছিলেন আসলে কী ঘটছে।

Manual6 Ad Code

তিনি আরও জানান, ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এই পরিস্থিতি অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবিলা করেছেন। ট্রাম্পের এই মন্তব্যগুলো থেকে স্পষ্ট যে, তিনি এই হামলাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের নেতিবাচক প্রচারণার বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন।

Manual2 Ad Code

শেয়ার করুন