স্টাফ রিপোর্টার:
দুই সপ্তাহের বকেয়া মজুরি পাওয়ার পর গত ৯ ডিসেম্বর থেকে কাজে ফিরেন ন্যাশনাল টি কোম্পানি-এনটিসির সবকটি বাগানের শ্রমিকেরা। তবে এখনও বকেয়া রয়েছে ৪ দুই সপ্তাহের মজুরি। মেলেনি প্রভিডেন্ট ফান্ডের বকেয়া চাঁদাও। যার ফলে ধোঁয়াশায় রয়েছেন এনটিসির হাজারও শ্রমিক। বাগান কর্তৃপক্ষ বলছে, বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছেন তারা।
এর আগে চা শ্রমিকরা মজুরি না পেয়ে এক মাসেরও বেশি সময় কর্মবিরতি পালন করেন তার। এর ফলে এ বাগানগুলো অচল হয়ে পড়ে। স্থবির হয়ে পড়ে এনটিসির মালিকানাধীন সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের ১২টি বাগান।
লাক্কাতুরা চা বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির কোষাধ্যক্ষ বিপন গোয়ালা জানান, দুই সপ্তাহের বকেয়া মজুরি পাওয়ার পর শ্রমিকরা কাজে ফিরেন। তবে এখনো বকেয়া রয়েছে ৪ দুই সপ্তাহের মজুরি। এছাড়া প্রভিডেন্ট ফান্ডের বকেয়া চাঁদা কবে পাবো সেটা বলা হয়নি। দৈনিক মজুরি ৮ টাকা ৫০ পয়সা বাড়িয়ে ১৭৮ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়েছে এটি বাতিল করে দৈনিক নগদ মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণ করার বিষয়েও কিছু বলা হয়নি। কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের কাছে যে টাকা আছে তা দিয়ে আগামী ৫ মাসের বেতন দেওয়া যাবে। আগামী মার্চে সকল বকেয়া পরিষদ করে বলে জানিয়েছেন তারা। তবে তাদের কথা আমাদের বিশ্বাস হয় না।
ন্যাশনাল টি কোম্পানি লক্কাতুরা ম্যানেজার আক্তার শহীদ বলেন, শ্রমিকরা কাজে ফিরেছেন। তবে তাদের বকেয়া রয়েছে ৪ দুই সপ্তাহের মজুরি। এগুলো কিভাবে পরিষদ করা যায় সে জন্য মৌলভীবাজারে মিটিং করা হয়েছে। এনটিসির এমডি কে অবহিত করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে শিঘ্রই এগুলো পরিষদ করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আব্দুল খালিক
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
উপ-সম্পাদকঃ ফুজেল আহমদ
সহ সম্পাদকঃ মোঃ সুমন আহমদ
সার্বিক ব্যবস্থাপকঃ মোঃ আলী হোসেন
স্টাফ রিপোর্টারঃ মোঃ আবুল হাসান আহমদ,
প্রকাশক কর্তৃক উত্তরা অফসেট প্রিন্টার্স কলেজ রোড, বিয়ানীবাজার
সিলেট থেকে মুদ্রিত ও শরীফা বিবি হাউজ, মেওয়া থেকে প্রকাশিত।
বানিজ্যিক কার্যালয় :
উত্তর বাজার, মেইন রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: beanibazareralo@gmail.com
মোবাইল: ০১৮১৯-৫৬৪৮৮১, ০১৭৩৮১১৬৫১২।