স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেট মহানগরীসহ বিভাগের চার জেলায় এখন নতুন আতঙ্ক বিরাজ করছে। পাউবোর তথ্যমতে আকস্মিক বন্যা হওয়ার ব্যাপক আশঙ্কা রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বলছে, উজানে ভারতের পাহাড়ী অঞ্চলে ভারি বৃষ্টিপাত হওয়ায় সুরমা-কুশিয়ারাসহ বিভিন্ন নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে বন্যার এই শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে এমন পূর্বাভাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
পাউবো জানিয়েছে, সুরমা-কুশিয়ারা ও ধনু-বাউলাই নদীসমূহের পানির সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে।
তবে আগামী সাতদিন (২৩ থেকে ৩০ এপ্রিল) সামগ্রিকভাবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকা ও তৎসংলগ্ন উজানে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত সংঘটিত হতে পারে। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও নেত্রকোণার নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে।এদিকে সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে সময়ের চাকা যেন কৃষকের প্রতিকূলে ঘুরছে। অতিবৃষ্টি আর বজ্রপাতের আতঙ্ক পেরিয়ে যখন ধান ঘরে তোলার স্বপ্নে বিভোর কৃষকরা, তখনই নতুন আপদ হিসেবে দেখা দিয়েছে আগাম বন্যার শঙ্কা। নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় ফসল হারানোর ভয়ে আধা-পাকা ধানই কেটে ঘরে তুলছেন দুশ্চিন্তাগ্রস্ত কৃষকরা।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে সুনামগঞ্জের কৃষকদের একের পর এক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। মে মাসের শুরু থেকে জলাবদ্ধতা এবং গত ১৮ এপ্রিল বজ্রপাতে পাঁচ কৃষকের মৃত্যুর ঘটনায় হাওরে ধান কাটা ব্যাহত হয়। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এখন সুরমা, কুশিয়ারা ও বৌলাইসহ প্রধান নদ-নদীর পানি বাড়তে থাকায় হাওরজুড়ে বন্যার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আব্দুল খালিক
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
উপ-সম্পাদকঃ ফুজেল আহমদ
সহ সম্পাদকঃ মোঃ সুমন আহমদ
সার্বিক ব্যবস্থাপকঃ মোঃ আলী হোসেন
স্টাফ রিপোর্টারঃ মোঃ আবুল হাসান আহমদ,
প্রকাশক কর্তৃক উত্তরা অফসেট প্রিন্টার্স কলেজ রোড, বিয়ানীবাজার
সিলেট থেকে মুদ্রিত ও শরীফা বিবি হাউজ, মেওয়া থেকে প্রকাশিত।
বানিজ্যিক কার্যালয় :
উত্তর বাজার, মেইন রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: beanibazareralo@gmail.com
মোবাইল: ০১৮১৯-৫৬৪৮৮১, ০১৭৩৮১১৬৫১২।