Beanibazarer Alo

  সিলেট     বৃহস্পতিবার, ১লা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটের কাজিরবাজার মাদ্রাসায় শিশুকে যৌন নির্যাতন, শিক্ষক গ্রেপ্তার

admin

প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬ | ০৫:৪৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: ০১ অক্টোবর ২০২৬ | ০৫:৪৩ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
সিলেটের কাজিরবাজার মাদ্রাসায় শিশুকে যৌন নির্যাতন, শিক্ষক গ্রেপ্তার

Manual6 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেটের ঐতিহ্যবাহী কাজীরবাজার মাদ্রাসার শিশু যৌন নির্যাতন ও বলাৎকারর চেষ্টার অভিযোগে ওই মাদ্রাসার এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

Manual4 Ad Code

নগরের ঘাসিটুলা লামাপাড়ার এক শিশুর মা সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনায় মতিউর রহমান নামে কাজিরবাজার মাদ্রাসার এক শিক্ষককে পুলিশ গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

Manual6 Ad Code

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) থানায় জমা দেওয়া লিখিত অভিযোগে শিশুটির মা অভিযোগ করেছেন, তার ১২ বছর বয়সি ছেলে সিলেট মহানগরীর জামেয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া কাজীরবাজার মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী। মাদ্রাসার শিক্ষক মতিউর রহমান গত এক মাস ধরে বিভিন্ন সময় শিশুটিকে ডেকে নিয়ে বলাৎকারের চেষ্টা করেন। সর্বশেষ গত ২৫ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে শিশুটিকে তাঁর কক্ষে ডেকে নিয়ে পোশাক খুলে বলাৎকারের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে শিশুটির মা জানান, কয়েক মাস ধরে এমন ঘটনা ঘটলেও ভয়ে শিশুটি বিষয়টি পরিবারের কাউকে জানায়নি। নির্যাতিত হয়ে বা নির্যাতনের ভয়ে ছেলে বার বার মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে আসতো। তাকে ঘটনা কাউকে না বলার জন্য ভয় দেখানো হয়েছিল। তবে এবার পালিয়ে আসার পর সে তার মামাকে ঘটনা খুলে বলে।

Manual1 Ad Code

নির্যাতিত শিশুটিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

Manual8 Ad Code

শিশুটি জানায়, মাদ্রাসার একাধিক শিক্ষক তার বয়সি ছাত্রদের আদর বা শাসনের অজুহাতে নানানভাবে যৌন নির্যাতন চালাতেন। এজন্য অনেক শিক্ষার্থী মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে যেতে চায়।

অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জানিয়ে সিলেট কতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মইনুল জাকির বলেন, এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে শিক্ষক মতিউর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে।

শেয়ার করুন