স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেটের আলোচিত নারী চোর পপি। চুরির অপরাধে একাধিকবার জেলও খেটেছেন। তবুও শুধরাননি পপি। ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ সিলেটের মার্কেটগুলোতে নারীদেরকেই টার্গেট করে মোবাইলফোন, নগদ টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র কৌশলে চুরি করে নিয়ে যায় পপি সিন্ডিকেটের সদস্যরা। ধরা পড়লেও পপি তাদেরকে আইনীভাবে আদালত থেকে জামিনে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন। এই সিন্ডিকেটে অন্তত শতাধিক নারী রয়েছেন।একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, মহিলা চোর সর্দার পপির বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার বামুরা গ্রামে। তিনি বিবাহিত। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। নগরীর শাহজালাল উপশহরের এইচ ব্লকের ৪ নং রোডের বিলের পার এলাকায় গড়ে তুলেছেন ৪ তলা বাসা। সেখানে পরিবার নিয়ে থাকেন পপি। সেখানে রাত-দিন রয়েছে পরিচিত-অপরিচিত মানুষের আনাগুনা। সেই এলাকায় তার নেটওয়ার্কের অবাধ বিচরণ রয়েছে। পপির বাসাটি মহানগর পুলিশের অস্থায়ী কার্যালয় থেকেও বেশী দূরে নয়।সূত্র জানায়, এবার ঈদে নারীদেরকে টার্গেট করেই মাঠে তৎপর হয়ে উঠেছে পপি সিন্ডিকেট। সেই সিন্ডিকেটের সদস্যরা বোরকা পরে মার্কেটে মার্কেটে ঘুরে বেড়ান। তাদের দেখলে মনে হবে তারাও কেনাকাটা করতে এসেছেন। কিন্তু না, তারা সুযোগ পেলে দোকানের মালামাল যেগুলো বহন যোগ্য সেগুলোর বোরকা হস্ত করার পাশাপাশি নারীদের ব্যাগ কেটেও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে ছটকে পড়ে। পপির বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানাসহ মহানগর পুলিশের অন্যান্য থানায় অন্তত ২০-২৫টি মামলা রয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে মোবাইলফোন চুরির অপরাধে পপি সিন্ডিকেটের সদস্য মুনিরা বেগমকে (২৯) তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মুনিরা বেগম সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানার চরনাচর নোয়াগাঁও গ্রামের দরজ আলীর ছেলে। বর্তমানে কোতোয়ালি থানাধীন আখালিয়া শ্রাবণী ১৯ (আজাদ মিয়ার কলোনী)-তে বসবাস করে আসছে।পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ভাতালিয়া এলাকার বাসিন্দা শিরীন আলম (৫২) কেনাকাটার জন্য হাসান মার্কেটে আসেন। এসময় তার সঙ্গে থাকা কাপড়ের শপিং ব্যাগ কেটে কৌশলে একটি মোবাইল ফোনটি অজ্ঞাত চোর চুরি করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী কোতোয়ালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মুনিরা বেগমকে চোরাইকৃত মোবাইল ফোনসহ গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা হয়। শুধু মুনিরা নয় ১০ রমজানের পর থেকে বেশ কয়েকজন পপি সিন্ডিকেটের সদস্যকে পাকড়াও করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে জনতা।
সিলেট মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার মনজুরুল আলম বলেন, মহানগরী এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে মাঠ পর্যায়ে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করে যাচ্ছে। সেই সাথে নজরদারি করছে গোয়েন্দা পুলিশ। অপরাধ করলেও কাউকেই ছাড় দেয়া হচ্ছে না।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আব্দুল খালিক
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
উপ-সম্পাদকঃ ফুজেল আহমদ
সহ সম্পাদকঃ মোঃ সুমন আহমদ
সার্বিক ব্যবস্থাপকঃ মোঃ আলী হোসেন
স্টাফ রিপোর্টারঃ মোঃ আবুল হাসান আহমদ,
প্রকাশক কর্তৃক উত্তরা অফসেট প্রিন্টার্স কলেজ রোড, বিয়ানীবাজার
সিলেট থেকে মুদ্রিত ও শরীফা বিবি হাউজ, মেওয়া থেকে প্রকাশিত।
বানিজ্যিক কার্যালয় :
উত্তর বাজার, মেইন রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: beanibazareralo@gmail.com
মোবাইল: ০১৮১৯-৫৬৪৮৮১, ০১৭৩৮১১৬৫১২।