স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেটে শিশু মুনতাহা হত্যা ও লাশ গুমের মামলায় ৪ আসামির ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার দুপুরে ৭ দিনের রিমান্ড চাইলে সিলেট জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কাজী মো. আবু জাহের বাদল ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে সকালে কানাইঘাট থেকে আসামিদের আদালতে আনা হয়।
রিমান্ডের আসামিরা হচ্ছেন কানাইঘাট থানার বীরদল ভাড়ারীফৌদ গ্রামের আলিফজান ও তার মেয়ে শামীমা বেগম মার্জিয়া এবং একই এলাকার ইসলাম উদ্দিন ও নাজমা বেগম।
মুনতাহা কানাইঘাট সদরের বীরদল ভাড়ারিফৌদ গ্রামের শামীম আহমদের মেয়ে। মুনতাহা হত্যায় তার বাবা শামীম আহমদ কানাইঘাট থানায় মামলা করেন।
মুনতাহার চাচা কয়ছর আহমদ বলেন, আসামিরা সবাই প্রতিবেশী। তবে কারও সঙ্গে আমাদের বিরোধ নেই। শুধু প্রাইভেট পড়াতে না দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে তাদের ক্ষোভ ছিল।
পুলিশ জানায়, শিশু মুনতাহাকে প্রাইভেট পড়াতেন পাশের বাড়ির শামীমা। সম্প্রতি তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর জেরেই এ খুনের ঘটনা। ১৬১ ধারায় হত্যায় সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন শামীমা। মুনতাহাকে গলা টিপে ও বস্তাচাপা দিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর লাশ গুমের জন্য ডোবায় রাখা হয়। পরে ঘটনা ভিন্নখাতে নিতে ডোবা থেকে লাশ তুলে পুকুরে ফেলার চেষ্টা করা হয়।
সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) রফিকুল ইসলাম জানান, জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন শামীমা। জানিয়েছেন সন্ধ্যায় তাদের ঘরে শিশুটিকে গলা টিপে ও বস্তাচাপা দিয়ে হত্যার কথা। কানাইঘাট থানার ওসি আব্দুল আউয়াল বলেন, মুনতাহা হত্যা মামলায় আটক চারজনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে আরও তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে আশা করছি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আব্দুল খালিক
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
উপ-সম্পাদকঃ ফুজেল আহমদ
সহ সম্পাদকঃ মোঃ সুমন আহমদ
সার্বিক ব্যবস্থাপকঃ মোঃ আলী হোসেন
স্টাফ রিপোর্টারঃ মোঃ আবুল হাসান আহমদ,
প্রকাশক কর্তৃক উত্তরা অফসেট প্রিন্টার্স কলেজ রোড, বিয়ানীবাজার
সিলেট থেকে মুদ্রিত ও শরীফা বিবি হাউজ, মেওয়া থেকে প্রকাশিত।
বানিজ্যিক কার্যালয় :
উত্তর বাজার, মেইন রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: beanibazareralo@gmail.com
মোবাইল: ০১৮১৯-৫৬৪৮৮১, ০১৭৩৮১১৬৫১২।