নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেট বিভাগে এক দিনে ৫ জনের অনাকাঙ্খিত মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বজ্রাঘাত কেড়ে নিয়েছে তাঁদের প্রাণ। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে ৩ জন ও হবিগঞ্জে ২ জনের প্রাণহানী ঘটেছে।
সোমবার দুপুরে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার আব্দুল্লাহপুর গ্রামের দেখার হাওরে অন্যান্য কৃষকদের সাথে ধান কাটতে যান জমির উদ্দিন (৩৮)। এসময় বজ্রপাতে জমির উদ্দিন আহত হলে তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। জমির উদ্দিন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের আব্দুর কাদিরের ছেলে।
দুপুরে সুনামগঞ্জের গৌরারং ইউনিয়নের বৈটাখালি গ্রামের জমির হোসন বাড়ি থেকে বের হয়ে বৈটাখালি নদীঘাটে তার দোকানের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন তিনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
সোমাবর দুপুরে হাওরে গরু আনতে গিয়ে বজ্রাঘাতের শিকার হন সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার রূপাবালী গ্রামের আবু ছালেক। গুরুতর আহতাবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক শফিকুর রহমান জানান সোমবার দুপুরে বজ্রপাতের শিকার তিনজনকে নিয়ে আসা হয়েছিল। তারা সবাই হাসপাতালে আসার আগেই মৃত্যুবরণ করেছেন।
এদিকে, সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে আরো ৩ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
হবিগঞ্জ : হবিগঞ্জের বানিয়াচং ও নবীগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরও একজন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার বিকেলে নবীগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের মকসুদ মিয়া (৩৫) গড়দার হাওরে নিজ জমিতে ধান কাটতে যান। এসময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
এদিকে, সোমবার বিকেলে বানিয়াচং উপজেলার জাতুকর্ণ পাড়ার আবদুস সালাম (৬০) এলাকার হাওরে ধান কাটা শেষে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতের শিকার হন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এছাড়া বজ্রপাতে একই উপজেলার গড়পাড় গ্রামের সামরুজ মিয়া (৫০) নামে আরেকজন কৃষক আহত হয়েছেন।