Beanibazarer Alo

  সিলেট     শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জৈন্তাপুরে মানব পাচার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

admin

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ | ০৬:১৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ | ০৬:১৭ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
জৈন্তাপুরে মানব পাচার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

Manual7 Ad Code

জৈন্তাপুর প্রতিনিধিঃ
সিলেটের জৈন্তাপুরে দুই নারীকে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভারতে পাচারের চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলার এজাহারনামীয় আসামি হানিফ মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে জৈন্তাপুর থানাধীন আলুবাগান এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হানিফ মিয়া জৈন্তাপুর উপজেলার ডিবির হাওর গ্রামের মৃত ছায়েদ আলীর ছেলে।

জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান মোল্লা গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার আসামিকে শুক্রবার পুলিশ পাহারায় আদালতে সোপর্দ করা হবে।

Manual4 Ad Code

ওসি মাহবুবুর রহমান মোল্লা আরও জানান, হানিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে মানব পাচার সংক্রান্ত আরও পাঁচটি মামলা রয়েছে। জৈন্তাপুর সীমান্তে মানব পাচার রোধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

Manual8 Ad Code

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর নড়াইলের সদর থানাধীন বাহিরগ্রাম এলাকার বাসিন্দা সাগরিকা বেগম (৩৯) সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার শরিফ জিয়ারত করতে আসেন। সেখানে নাছরিন বেগম নামে আরেক নারীর সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁরা একসঙ্গে জাফলং ঘুরতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

এ সময় জাফলং পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে তাঁদের মাইক্রোবাসে তোলা হয়। পরে তাঁদের ভারতে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

Manual5 Ad Code

একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাঁদের জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের ডিবির হাওর এলাকার শাপলা বিলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হানিফ মিয়াসহ কয়েকজন তাঁদের ভারতে পাঠানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখান বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে ভারতে পাচারের আশঙ্কায় দুই নারী কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে আসেন। পরে সাগরিকা বেগম জৈন্তাপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় জৈন্তাপুর মডেল থানায় দায়ের করা মামলার এফআইআর নম্বর ৮, জিআর নম্বর ২৪০, তারিখ ৯ অক্টোবর ২০২৬। মামলাটি মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬-এর ৬ ও ৭ ধারায় করা হয়েছে।

Manual3 Ad Code

শেয়ার করুন