Beanibazarer Alo

  সিলেট     রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজারে শিক্ষা অফিসে প্রধান শিক্ষককে মারধর, সহকারী শিক্ষক বরখাস্ত

admin

প্রকাশ: ০৮ নভেম্বর ২০২৬ | ০২:০২ অপরাহ্ণ | আপডেট: ০৮ নভেম্বর ২০২৬ | ০২:০২ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
মৌলভীবাজারে শিক্ষা অফিসে প্রধান শিক্ষককে মারধর, সহকারী শিক্ষক বরখাস্ত

Manual4 Ad Code

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :
মৌলভীবাজার সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের দাপ্তরিক কক্ষে ঢুকে এক প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে একই উপজেলার এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে সংঘটিত এ ঘটনায় আহত প্রধান শিক্ষককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক জসিম উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

গত বুধবার বিকেলে সদর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী নাদিমুল হকের অফিস কক্ষে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

Manual2 Ad Code

আহত প্রধান শিক্ষকের নাম মিঞা মোহাম্মদ শহীদুল রহমান। তিনি উপজেলার দামিয়া আধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। অন্যদিকে অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন উপজেলার মিঠারাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

প্রত্যক্ষদর্শী ও অফিস আদেশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন বিকেলে দাপ্তরিক কাজে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী নাদিমুল হকের কক্ষে অবস্থান করছিলেন প্রধান শিক্ষক শহীদুল রহমান। এ সময় সেখানে প্রবেশ করেন সহকারী শিক্ষক জসিম উদ্দিন। কক্ষে ঢুকেই তিনি প্রধান শিক্ষককে উদ্দেশ করে উত্তেজিত ভাষায় বলেন, ‘আমি স্কুলে যাই বা না যাই– তা তুই দেখার কে?’

Manual3 Ad Code

এ কথা বলার পরই প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড়, কিল-ঘুসি ও লাথি মারতে থাকেন। এতে গুরুতর আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে যান প্রধান শিক্ষক।

এ সময় কক্ষে উপস্থিত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাসহ অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাঁকে রক্ষার চেষ্টা করেন। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। পরে হামলার পর অভিযুক্ত শিক্ষক মোটরসাইকেল নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। আহত প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

Manual7 Ad Code

ঘটনার খবর পেয়ে আহত শিক্ষককে দেখতে হাসপাতালে যান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাজীব হাসান। এ ধরনের ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক, অগ্রহণযোগ্য ও শৃঙ্খলাবহির্ভূত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রাশিদা আক্তার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, সরকারি দপ্তরে প্রবেশ করে একজন প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলা পুরো শিক্ষক সমাজ ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলার ওপর আঘাত। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

Manual2 Ad Code

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন