Beanibazarer Alo

  সিলেট     বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৯ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারে দূতদের সক্রিয় হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

admin

প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৩ | ১১:২০ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ০৭ মার্চ ২০২৩ | ১১:২০ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারে দূতদের সক্রিয় হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

Manual5 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণিজ্য ও রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশের ‘মর্যাদা’ বজায় রাখতে অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারে বাংলাদেশি দূতদের আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার পাশাপাশি আপনাদের (কূটনীতিকদের) অর্থনৈতিক কূটনীতি শক্তিশালী করতে সক্রিয় হতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী সোমবার সন্ধ্যায় কাতারে তার অস্থায়ী নিবাসে আঞ্চলিক দূত সম্মেলনে এ নির্দেশনা দেন। সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থানরত বাংলাদেশি কূটনীতিকরা যোগ দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে গ্রাজুয়েশন করতে যাচ্ছে। এজন্য সেসব দেশের প্রতি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন, যেখানে বাংলাদেশ ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে পারে এবং উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে লাভবান হতে পারে।

তিনি বলেন, আপনাকে চোখ কান খোলা রেখে সব দেশের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতা করতে হবে। তাহলে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমরা টিকে থাকতে পারব। আরও এগিয়ে যেতে পারব এবং পরে উন্নত দেশ হিসেবে মর্যাদা লাভ করতে পারব।

Manual8 Ad Code

শেখ হাসিনা বলেন, একসময় কূটনীতি একটি রাজনৈতিক বিষয় ছিল। কিন্তু এখন এটি অর্থনৈতিক বিষয়, মানে অর্থনৈতিক কূটনীতি। তাই যারা বিভিন্ন দেশে কাজ করছেন তাদেরকে সেই দেশগুলোকে চিহ্নিত করতে হবে যেখানে আমরা ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারি। একই সঙ্গে যেসব দেশে আমাদের পণ্য রপ্তানির সুযোগ রয়েছে এবং যে দেশগুলো থেকে আমরা কম ও ন্যায্য দামে পণ্য আমদানি করতে পারি।

Manual7 Ad Code

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ব্যবসা ও বাণিজ্য আরও বাড়াতে এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। যেসব দেশে আমাদের পণ্যের চাহিদা আছে এবং যেখানে বিপণনের সুযোগ আছে সেসব দেশকে চিহ্নিত করুন।

Manual6 Ad Code

বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে বাংলাদেশের নীতির উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের পররাষ্ট্র নীতির মূল ভিত্তি হচ্ছে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’। অন্তত আমি দাবি করতে পারি যে, বাংলাদেশ সঠিকভাবে এই নীতি অনুসরণ করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবে। কিন্তু যখন কোনো অন্যায় দেখা যাবে, তখন বাংলাদেশ অবশ্যই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার কথা বলবে, যা মিয়ানমারকে বলা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ‘যখন মিয়ানমারে ঘটনাটি ঘটেছিল, তখন আমরা মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছিলাম। কিন্তু আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে সংঘাতে জড়াইনি। রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে বাংলাদেশ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি উপস্থিত ছিলেন।

Manual5 Ad Code

জাতিসংঘের পঞ্চম এলডিসি সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী এখন কাতার সফরে রয়েছেন। কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি ও জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের আমন্ত্রণে তিনি গত শনিবার সেখানে যান। বুধবার ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

শেয়ার করুন