Beanibazarer Alo

  সিলেট     শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৫২ বছরের অপেক্ষার ইতি টেনে বিশ্বকাপে ডিআর কঙ্গো

admin

প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২৬ | ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ০১ এপ্রিল ২০২৬ | ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
৫২ বছরের অপেক্ষার ইতি টেনে বিশ্বকাপে ডিআর কঙ্গো

Manual5 Ad Code

স্পোর্টস ডেস্ক:
দীর্ঘ পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ের প্রতীক্ষার ইতি টেনে অবশেষে ফুটবল বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (ডিআর কঙ্গো)। বুধবার (১ এপ্রিল) মেক্সিকোর গুয়াদালাহারায় অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর এক আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ ফাইনালে জ্যামাইকাকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের টিকিট নিশ্চিত করেছে মধ্য আফ্রিকার এই দেশটি।

Manual1 Ad Code

নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দলই গোলের দেখা না পাওয়ায় ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ১০০তম মিনিটে ডিফেন্ডার এক্সেল টোয়ানজেবির করা জয়সূচক গোলটি কঙ্গোকে এনে দেয় ঐতিহাসিক এক জয়। এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে ১৯৭৪ সালের পর অর্থাৎ ৫২ বছর পর আবারও ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে দেশটি।

পুরো ম্যাচজুড়ে বল দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বজায় রাখলেও জ্যামাইকার রক্ষণভাগ ভাঙতে কঙ্গোকে চরম ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে একের পর এক আক্রমণ চালিয়েও তারা গোলমুখে ব্যর্থ হচ্ছিল। তবে অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে বার্নলির ডিফেন্ডার এক্সেল টোয়ানজেবি ডেডলক ভেঙে সমর্থকদের উল্লাসে ভাসান।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের যুব একাডেমি থেকে উঠে আসা এই ফুটবলার একটা সময় ইংল্যান্ডের বয়সভিত্তিক দলের হয়ে খেললেও পরবর্তীতে নিজের জন্মভূমি ডিআর কঙ্গোকে বেছে নেন। তাঁর এই গোলটিই শেষ পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যকার ব্যবধান গড়ে দেয় এবং জ্যামাইকার বিশ্বকাপ স্বপ্ন ধুলিসাৎ করে দেয়।

Manual2 Ad Code

ডিআর কঙ্গোর ফুটবল ইতিহাসে এটি দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে নাম লেখানোর ঘটনা। এর আগে তারা যখন ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছিল, তখন দেশটির নাম ছিল ‘জাইরে’। দীর্ঘ ৫২ বছরের এই বিরতি ফুটবল বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ প্রতীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্লে-অফ এই জয়ের পর কঙ্গোর খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের মধ্যে আবেগময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়। জ্যামাইকা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও কঙ্গোর জমাট রক্ষণভাগ তাদের সব প্রচেষ্টাই নস্যাৎ করে দেয়।

Manual1 Ad Code

২০২৬ বিশ্বকাপে ডিআর কঙ্গোর এই অন্তর্ভুক্তি মূলত আফ্রিকান ফুটবলের ক্রমবর্ধমান শক্তিরই বহিঃপ্রকাশ। এই জয় কেবল মাঠের সাফল্য নয়, বরং পুরো জাতির জন্য এক গর্বের মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গুয়াদালাহারার স্টেডিয়ামে উপস্থিত কয়েক হাজার কঙ্গোলিজ সমর্থক টোয়ানজেবির গোলটিকে উৎসবের আমেজে উদ্‌যাপন করেন। এখন বিশ্বের ৩টি দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় যৌথভাবে আয়োজিতব্য এই মেগা ইভেন্টে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করাই হবে মধ্য আফ্রিকার দলটির প্রধান লক্ষ্য।

Manual7 Ad Code

শেয়ার করুন