Beanibazarer Alo

  সিলেট     সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কনডেম সেল থেকে যেভাবে পালিয়ে যায় ফাঁসির ৪ আসামি

admin

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৪ | ০৪:৪৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২৬ জুন ২০২৪ | ০৪:৪৬ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
কনডেম সেল থেকে যেভাবে পালিয়ে যায় ফাঁসির ৪ আসামি

Manual7 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
বগুড়ায় মঙ্গলবার দিবাগত রাতে কারাগারের ছাদ ফুটো করে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি পালিয়ে যান। তবে এ ঘটনার দেড় ঘণ্টার মধ্যেই কারাগারের ৫০০ মিটার দূর থেকে পুলিশ তাদের আটক করে।

Manual2 Ad Code

আসামিরা হলেন- কুড়িগ্রামের নজরুল ইসলাম মঞ্জুর, নরসিংদীর আমির হামজা, বগুড়ার কাহালুর মো. জাকারিয়া এবং বগুড়া সদরের ফরিদ শেখ।

Manual5 Ad Code

বুধবার সকালে বগুড়ার পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করে মঙ্গলবার রাতে তারা কনডেম সেলের ছাদ কেটে কাপড়ের রশি বানিয়ে ছাদ থেকে নেমে পালিয়ে যায়। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে জেলখানার অদূরে বাজার থেকে পুলিশ তাদের আটক করে।

তিনি আরও বলেন, জেল কর্তৃপক্ষ আমাদের বিষয়টি জানায় ৩টা ৫৬ মিনিটে। এরপর পুলিশের সব ফাঁড়ি এবং টহল দলকে অ্যালার্ট করে দেওয়া হয়। ভোর সাড়ে ৪টায় সদর ফাঁড়ির সব-ইন্সপেক্টরের নেতৃত্বে পলাতক চার আসামিকে ধরে ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়।

সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে জেল কর্তৃপক্ষ আবার মামলা করবে। এরপর তাদের আদালতে পাঠানো হবে।

তবে আসামিদের কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে জেল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

Manual2 Ad Code

এ বিষয়ে জানতে জেল সুপার আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি এবং কারাগারে গিয়েও কারও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Manual7 Ad Code

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, জেলটি ব্রিটিশ আলমের। ছাদে কোনো রড ছিল না। কাপড় দিয়ে ওপরে উঠে তারা ছাদ ফুটো করে পালিয়েছে। ঘটনার পর আমি জেল পরিদর্শন করেছি এবং সামনে-পেছনে আরও ছয়টি নিরাপত্তা চৌকি বসাতে বলেছি।

আসামিদের আটক অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া সব-ইন্সপেক্টর খোরশেদ আলম বলেন, ঘটনা জানার পর আমরা সব জায়গায় খোঁজ নিতে শুরু করি। আমার মনে হয়, যেহেতু জেলখানা করতোয়া নদীর তীরে, সুতরাং তারা নদী ধরে পালানোর চেষ্টা করবে। সে কারণে শহরের চেলোপাড়া সেতুর পূর্ব পাশে অবস্থিত চাষি বাজার এলাকার দিকে চারজন কনস্টেবল নিয়ে যাই। গিয়ে দেখি চারজন নদীর পাড় থেকে ওপরে উঠছেন। পরে তাদের আটক করলে পুলিশের আরও টিম সেখানে আসে।

আটককৃতদের ডিবি কার্যালয়ে নেওয়ার পর জেল কর্তৃপক্ষের দেওয়া পলাতক আসামিদের ছবির দেখে তাদের শনাক্ত করা হয় বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন