Beanibazarer Alo

  সিলেট     বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৮শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাস্টমসের সেই ওয়াহিদার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

admin

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪ | ০৬:৩৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪ | ০৬:৩৫ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
কাস্টমসের সেই ওয়াহিদার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

Manual1 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
কাস্টমসের সাবেক কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরীর বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। চারটি মোবাইল কোম্পানিকে প্রায় ১৫৩ কোটি টাকা সুদ ছাড়ের দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় তাকে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর শুনানিতে অংশ নেন। আদালতের নির্দেশনায় ওই কমিশনারকে বিদেশ ভ্রমণে ৬০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

Manual1 Ad Code

এর আগে মঙ্গলবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে, ঢাকা-১-এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. শাহ আলম শেখ বাদী হয়ে ওয়াহিদা রহমানের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। তার বিরুদ্ধে আইনবহির্ভূতভাবে একক নির্বাহী সিদ্ধান্তে ১৬টি নথিতে ১৫২ কোটি ৮৯ হাজার ৩৯০ টাকা অপরিশোধিত সুদ মওকুফ করে সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

Manual7 Ad Code

এজাহারে বলা হয়েছে, ওয়াহিদা রহমান মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও এয়ারটেলকে ওই সুবিধা দিয়েছিলেন। তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বৃহৎ করদাতা ইউনিটের কমিশনার হিসাবে অবসরে যান। বর্তমানে তিনি অবসরোত্তর ছুটিতে (পিআরএল) আছেন।

জানা গেছে, চারটি প্রতিষ্ঠানের স্থান ও স্থাপনা ভাড়ার ওপর আইনিভাবে কর প্রযোজ্য হওয়ায় তা মেনে নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে যথাসময়ে ১৮৯ কোটি ৭৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা পরিশোধ করার কথা বলে।

Manual7 Ad Code

কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত কর মেয়াদে তা পরিশোধ না করায় মূসক আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য হারে প্রদেয় সুদের পরিমাণ হয় ১৫২ কোটি ৮৯ হাজার ৩৯০ টাকা। মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯১-এর ধারা ৩৭(৩) অনুসারে সুদ আদায়ের জন্য কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী অতি দ্রুত সুদের হিসাব করার নির্দেশ দেন।

Manual8 Ad Code

সুদ হিসাবে সরকারের পাওনা অর্থের মধ্যে গ্রামীণফোন লিমিটেডের কাছে ৫৮ কোটি ৬৪ লাখ ৮৮ হাজার ৬৯৭ টাকা, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনের কাছে ৫৭ কোটি ৮৮ লাখ ৫৩ হাজার ৫১ টাকা, রবি আজিয়াটার কাছে ১৪ কোটি ৯৪ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং এয়ারটেল বাংলাদেশের কাছে ২০ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ৯৫২ টাকা রয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিন থেকে পাঁচ মাস পর ভিন্ন আদেশে ওই সুদ মওকুফ করে দেন ওয়াহিদা রহমান।

শেয়ার করুন