Beanibazarer Alo

  সিলেট     শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘কোনো হুমকির কাছে মাথা নত করবে না ইরান’

admin

প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
‘কোনো হুমকির কাছে মাথা নত করবে না ইরান’

Manual2 Ad Code

ডিজিটাল ডেস্ক:
পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত আলোচনা স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করতে ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে পুনরায় বিমান হামলা শুরু করার কথা চিন্তা করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, রোববার ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের যে ঘোষণা দিয়েছেন তার সাথে আবারো বিমান হামলা চালানোর বিষয়টিও তার বিবেচনায় আছে।

Manual7 Ad Code

মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সোমবার স্থানীয় সময় সকাল দশটা থেকে ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ শুরু করা হবে।

Manual1 Ad Code

এনিয়ে ইরানি সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির কাছে তেহরান ‘নতি স্বীকার’ করবে না।

এছাড়া ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, পাকিস্তানে শান্তি আলোচনার সময় দুই পক্ষই চুক্তির ‘একদম কাছাকাছি’ ছিল, কিন্তু তেহরানকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সর্বোচ্চ চাপ, বারবার লক্ষ্য পরিবর্তন এবং অবরোধের’ সম্মুখীন হতে হয়েছিল।

Manual5 Ad Code

পাকিস্তানে শান্তি আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়া ইরানি স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এক্স এ দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তকে উপহাস করে লিখেছেন, বর্তমান তেলের দাম দেখে আনন্দ করুন। এই তথাকথিত ‘অবরোধের’ কারণে শিগগিরই আপনারা চার বা পাঁচ ডলারে গ্যাস পাওয়ার দিনগুলোর কথা ভেবে নস্টালজিক হয়ে পড়বেন।

ইরানের নৌবাহিনী জানিয়েছে, দেশটির জলপথের দিকে এগিয়ে আসা যে কোনো সামরিক জাহাজের বিরুদ্ধে ‘কঠোর’ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৮ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন রয়েছে। সেই সময় থেকেই সাইবার হামলা থেকে দেশকে রক্ষা করার কারণ দেখিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে ইরানি কর্তৃপক্ষ।

কিন্তু এ পদক্ষেপের কারণে তথ্য আদান-প্রদানে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে এবং যারা ইন্টারনেটের ওপর নির্ভর করে নিজেদের ও পরিবারের ভরণ-পোষণ করেন, তারা সংকটের মুখে পড়েছেন।

ইরানে বর্তমানে যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন তাদেরকে মোটামুটি দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। একপক্ষ যাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং আরেকপক্ষ যারা অধিক মূল্য দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন।

বিবিসি জানতে পেরেছে, প্রথম দলে রয়েছে মূলত সরকারি কর্মকর্তা, সরকার সমর্থক ব্যবহারকারী, সাংবাদিক এবং সম্প্রতি কিছু শিক্ষক ও শিক্ষার্থী রয়েছেন যারা ইন্টানেট ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছেন।

Manual7 Ad Code

অনুমোদিত সিম কার্ড বা প্রাতিষ্ঠানিক এক্সেসের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন এই দল। আরেকপক্ষ মূলত সাধারণ নাগরিক, যারা স্টারলিংকের মতো স্যাটেলাইট ইন্টারনেট বা এর মাধ্যমে পরিচালিত সংযোগ ব্যবহারের জন্য প্রচুর টাকা খরচ করছেন।

ইরানে স্টারলিংক ইন্টারনেটের দাম প্রতি গিগাবাইট প্রায় ছয় ডলার (প্রায় চার দশমিক ৫০ পাউন্ড)। এ অর্থ ইরানের নাগরিকদের জন্য অনেক বেশি, কারণ সেখানে একজন ব্যক্তির গড় মাসিক বেতন ২০০ থেকে ৩০০ ডলারের মধ্যে।

ইরানে স্টারলিংক ব্যবহারকারী একজন ব্যক্তির দুই বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানি কর্তৃপক্ষ শত শত স্টারলিংক ডিভাইস জব্দ করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

শেয়ার করুন