Beanibazarer Alo

  সিলেট     শুক্রবার, ২রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৫

admin

প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ | ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ | ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
চুয়াডাঙ্গায় ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৫

Manual8 Ad Code

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি :
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা–১ আসনের আলমডাঙ্গা উপজেলার যুগিরহুদা গ্রামে এ সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি বিএনপির সমর্থক আহতরা হলেন—যুগিরহুদা গ্রামের হাসিবুল ইসলামের ছেলে মানিক মিয়া (৩৬), তাঁর স্ত্রী মুক্তি খাতুন মুক্তা (৩৫), মতিয়ার রহমানের ছেলে রাকিব (১৯), শামিমের স্ত্রী রিক্তা খাতুন (২৬), মৃত শুকুর আলীর ছেলে হায়দার আলী বিশ্বাস (৬২), বজলুর রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান (৫৫), মুসছুর আলীর ছেলে আসাদুল হক (৫২), হাফিজুরের মেয়ে রেমনি খাতুন (২০) ও হাসিবুল হক বিশ্বাসের ছেলে আরাফাত আলী (২৪)।

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের আহত সমর্থকরা হলেন- ওল্টু, মাসুদ, বাদশা, আরিফুল ও ইমরান।

জামায়াতের অভিযোগ, রোববার দুপুরে তাদের কয়েকজন নারী কর্মী ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইছিলেন। এ সময় বিএনপির সমর্থকেরা বাধা দিলে একপর্যায়ে সংঘর্ষ হয়। এতে নারী কর্মীসহ পাঁচজন আহত হন বলে দাবি করা হয়।

Manual1 Ad Code

অন্যদিকে বিএনপির দাবি, জামায়াতের নারী কর্মীরা ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করছিলেন। এমনকি কোরআন শরিফ স্পর্শ করে শপথ করানোর অভিযোগও তোলা হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে জামায়াতের কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে পুরুষ কর্মীদের ডেকে এনে হামলা চালান। পরে বহিরাগত লোকজন লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে দফায় দফায় হামলা চালায় বলে বিএনপির অভিযোগ।

আহতদের দেখতে চুয়াডাঙ্গা–১ আসনের বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান বলেন, নির্বাচনী এলাকার শান্ত পরিবেশ পরিকল্পিতভাবে অশান্ত করা হচ্ছে। জামায়াতের হামলায় নারীসহ বিএনপির নয়জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

অন্যদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, জামায়াতের নারী কর্মীদের প্রচারণায় বারবার বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির হামলায় নারীসহ ছয়জন জামায়াত সমর্থক আহত হয়েছেন। তাদের আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Manual1 Ad Code

স্থানীয় বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন বলেন, ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি শুনেছেন।

Manual1 Ad Code

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আফরিনা ইসলাম বলেন, বিকেল পাঁচটার পর আহত অবস্থায় নয়জন হাসপাতালে আসেন। তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ভর্তি করা হয়েছে।

Manual8 Ad Code

আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হোসেন আলী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই গ্রামে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

শেয়ার করুন