Beanibazarer Alo

  সিলেট     রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৫শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিয়াউল আহসান এবার দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার

admin

প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ | ০১:৫০ অপরাহ্ণ | আপডেট: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ | ০১:৫০ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
জিয়াউল আহসান এবার দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার

Manual8 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে এবার দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বুধবার (৭ ডিসেম্বর) ‘জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ’ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জনের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

Manual6 Ad Code

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
২০২৪ সালে ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর ওই বছর ১৫ অগাস্টে গভীর রাতে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকা থেকে জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে বিভিন্ন মামলাসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

Manual5 Ad Code

গত ২৩ জানুয়ারি ‘জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ’ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় তার স্ত্রী নুসরাত জাহানকেও আসামি করা হয়।

Manual8 Ad Code

কারাগারে থাকা জিয়াউল আহসানকে গত ২১ ডিসেম্বর দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম।

আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য বুধবার ধার্য করেন। সকালে শুনানিতে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়ে কারাগারে পাঠায় আদালত।

এ দিন তারপক্ষে ওকালতনামা দাখিল করা হলেও জামিন আবেদন করা হয়নি বলে জানিয়েছেন জিয়াউল আহসানের আইনজীবী ব্যারিস্টার আসিফুর রহমান।

Manual6 Ad Code

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান নিজ নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জন করেন। এ ছাড়াও গাইডলাইন অব ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রান্সজেকশন-২০১৮ ও ২০২০ সালের এফইপিডি সার্কুলার-৬ অনুযায়ী বর্তমান অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করে নিজের ব্যাংক হিসাবে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা করেন।

বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা করে স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতা ও যোগসাজশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করেন। এছাড়া নিজ নামে ৮টি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন জিয়াউল আহসান। একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা হওয়ার সুবাদে এই কাজে নিজের পদ ও অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দণ্ডবিধি, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।’

শেয়ার করুন