জামায়াত নেতা জানান, “নারীরা বাসায় গিয়ে এনআইডি বা বিকাশ নম্বর চাইছেন—এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। মূলত জামায়াতের প্রতি নারীদের ব্যাপক সমর্থন দেখে একটি বড় দল ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে।”
ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ইসি যে সার্কুলার দিয়েছে, সেটির বাস্তব প্রতিফলন এখনো দেখা যাচ্ছে না। যেসব কেন্দ্রে ক্যামেরা বসানো হয়েছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক এবং ক্যামেরাগুলো মূলত কেন্দ্রের বাইরের দিকে মুখ করা।”
তিনি দাবি করেন, “ভোটকেন্দ্রের ভেতরেও সিসি ক্যামেরা থাকতে হবে, যাতে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হলে তার প্রমাণ পাওয়া যায়।” এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ও অর্থ উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
নির্বাচনে ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কেন বাস্তবায়ন হয়নি—এমন প্রশ্নের জবাবে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, “নারী প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে আমাদের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তৃণমূলের পরামর্শ অনুযায়ী প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়। সামাজিক ও পারিবারিক বাস্তবতার কারণে অনেক নারী সরাসরি নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী হন না।” তবে ভবিষ্যতে নারী প্রার্থীর সংখ্যা বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালট প্রসঙ্গে তিনি জানান, “৩০ বা ৩১ তারিখে পাঠানো পোস্টাল ব্যালটও যদি ১২ তারিখের মধ্যে পৌঁছায়, তাহলে তা গ্রহণ করা হবে বলে ইসি আমাদের আশ্বস্ত করেছে।”
এছাড়া প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একপাক্ষিক আচরণ নিয়েও নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতিকার চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
শেষে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, “নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করবে।”