Beanibazarer Alo

  সিলেট     রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১২ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রেমিকের বিচারের দাবিতে সন্তানের মরদেহ নিয়ে মায়ের মানববন্ধন

admin

প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২৬ | ১২:১৯ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২৪ মার্চ ২০২৬ | ১২:১৯ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
প্রেমিকের বিচারের দাবিতে সন্তানের মরদেহ নিয়ে মায়ের মানববন্ধন

Manual2 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
ঝালকাঠিতে বিয়ের দাবিতে দ্বারে দ্বারে ঘুরেও মেলেনি স্বীকৃতি। উল্টো ১৩ মাসের কন্যাসন্তানকে হারিয়েছেন। এবার সেই শিশুসন্তানের মরদেহ নিয়ে অভিযুক্ত প্রেমিকের বিচারের দাবিতে রাস্তায় নামলেন ভুক্তভোগী মা।

Manual2 Ad Code

সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে সদর উপজেলার পূর্ব ভাউতিতা গ্রামের একটি সড়কে এই মানববন্ধন হয়। এসময় ভুক্তভোগী শিশুটির মা ও তার পরিবারসহ স্থানীয়রাও উপস্থিত ছিলেন।

নিহত ওই শিশুর নাম জেসমিন এবং ভুক্তভোগী মায়ের নাম লিয়া মনি আক্তার।

মা লিয়া মনি বলেন, ‘২০২১ সালে পূর্ব ভাউতিতা গ্রামের হৃদয় ব্যাপারীর সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে আমি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ি। ২০২৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আমি কন্যাসন্তানের জন্ম দেই। সে সময় হাসপাতালে হৃদয়সহ তার মামা রফিক হাওলাদার ও নানা মান্নান হাওলাদার ছিলেন। তারা হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফেরার পর আনুষ্ঠানিকভাবে আমার সঙ্গে হৃদয়ের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন। তিন দিন পর ১৯ ফেব্রুয়ারি হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে কৌশলে নবজাতককে নিয়ে পালিয়ে যান হৃদয় ও তার স্বজনেরা। পরে তারা নবজাতককে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে চলে যান। সেখান থেকে এক ভিক্ষুক নবজাতককে উদ্ধার করে একটি চাইল্ড হোমে পাঠান। সেখানে বেড়ে ওঠে ওই নবজাতক। ঘটনার তিন মাস পর আমি ও আমার পরিবার বিষয়টি জানতে পারি। আমরা শিশুটির ডিএনএ পরীক্ষাসহ অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া শেষে চলতি বছরের ৯ মার্চ শিশুটিকে অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে নিয়ে আসি। পরদিন শিশুটিকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।’

Manual6 Ad Code

এদিকে গত ৯ মার্চ শিশুটির মা তাকে ধর্ষণের অভিযোগে হৃদয় ব্যাপারীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ঝালকাঠি সদর থানায় একটি মামলা করেন। অভিযুক্ত হৃদয় ব্যাপারী পলাতক।

অপরদিকে হৃদয়ের বাবা আবুল ব্যাপারী ছেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, এ ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

Manual1 Ad Code

এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমতিয়াজ আহম্মেদ বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। আসামিরা পলাতক। গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Manual6 Ad Code

শেয়ার করুন