Beanibazarer Alo

  সিলেট     শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২১শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেব্রুয়ারিতে অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার প্রধান উপদেষ্টার

admin

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ০৬:৫০ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ০৬:৫০ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
ফেব্রুয়ারিতে অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার প্রধান উপদেষ্টার

Manual5 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং উৎসবমুখর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য (এমইপি) মুনির সাতোরির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

Manual3 Ad Code

প্রধান উপদেষ্টা সফরকারী প্রতিনিধিদলকে বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছি। এটি রমজানের ঠিক আগে ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, জনসাধারণ বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে নির্বাচনী উৎসাহ বাড়ছে, কারণ দীর্ঘদিন পর—কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন দশকেরও বেশি সময় পর—ছাত্র সংসদ নির্বাচন আবার শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, সাধারণ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, পরিষ্কার, স্বচ্ছ এবং উৎসবমুখর হবে। কিছু শক্তি এখনও নির্বাচন বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে, তবুও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্ধারিত সময়সূচি অনুসারে তা নিশ্চিত করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

Manual8 Ad Code

তিনি আত্মবিশ্বাস ব্যক্ত করেন বলেন, তরুণ ভোটাররা রেকর্ড সংখ্যায় ভোট দেবেন, কারণ ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই প্রথমবারের মতো তাদের অনেকেই ভোট দেবেন। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ এক নতুন সূচনার সাক্ষী হবে। এটি আমাদের ইতিহাসের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে—জাতির জন্য একটি নতুন যাত্রা।

Manual2 Ad Code

ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায়, প্রধান উপদেষ্টা এবং এমপিরা সরকারের সংস্কার উদ্যোগ, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের অব্যাহত সমর্থন এবং চলমান রোহিঙ্গা মানবিক সংকট নিয়ে মতবিনিময় করেন।

Manual5 Ad Code

সফররত এমপিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আসন্ন নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে পারে। বাংলাদেশ হয়তো সেই কয়েকটি দেশের মধ্যে একটি যেখানে বিষয়গুলো সঠিক দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

অধ্যাপক ড. ইউনূস ইইউকে তাদের দৃঢ় সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং বাংলাদেশে বসবাসরত দশ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য তহবিল বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

বিশেষ করে, সম্প্রতি সাহায্যের ঘাটতির কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তিনি শিবিরগুলোতে স্কুলগুলো পুনরায় চালু করতে সহায়তার আহ্বান জানান।।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক বাস্তবায়িত মূল শ্রম সংস্কারের কথা তুলে ধরেন।

শেয়ার করুন