Beanibazarer Alo

  সিলেট     শনিবার, ৩রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাবা-ছেলেসহ তিনজনকে পাশাপাশি দাফনের প্রস্তুতি, শোকে স্তব্ধ গ্রামবাসী

admin

প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৭:১৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৭:১৩ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
বাবা-ছেলেসহ তিনজনকে পাশাপাশি দাফনের প্রস্তুতি, শোকে স্তব্ধ গ্রামবাসী

Manual2 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

রাজধানীর উত্তরায় একটি আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে যে ছয়জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে তিনজনই ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। বাবা ও ছেলেসহ একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুতে এলাকায় শোক বিরাজ করছে।

শুক্রবার সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডে তাদের মৃত্যু হয়। তারা হলেন- উপজেলার সদর ইউনিয়নের দড়িপাঁচাশি গ্রামের মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. হারিছ উদ্দিন (৫২), তার ছেলে হিসান উদ্দিন রাহাব (১৭) ও ভাতিজি রোদেলা (১৪)। রোদেলা হারিছ উদ্দিনের ছোট ভাই শহীদুল ইসলামের মেয়ে।

Manual5 Ad Code

মৃতদের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হারিছ উদ্দিন ও শহীদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে রাজধানীর উত্তরায় ফলের ব্যবসা করতেন। ব্যবসার সুবাদে হারিছ উদ্দিনের স্ত্রী ও দুই ছেলে এবং শহীদুল ইসলামের স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে তারা উত্তরার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। শুক্রবার সকালে ওই বাসায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শহীদুল ইসলাম, তার স্ত্রী শিউলী আক্তার এবং তাদের চার বছর বয়সী ছেলে উমর উদ্দিন গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

Manual1 Ad Code

দড়িপাঁচাশি গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, একসঙ্গে তিনজনের দাফনের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি খোঁড়া হচ্ছে তিনটি কবর। স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।

মরদেহ সন্ধ্যায়ও বাড়িতে পৌঁছেনি। আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা বাড়িতে ভিড় করছেন। অনেকেই তাদের স্মৃতিচারণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ছেন। আজ রাত ১০টায় জানাজা শেষে তিনজনকে পাশাপাশি কবরে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বজনেরা।

Manual2 Ad Code

হারিছ উদ্দিনের চাচা নজরুল ইসলাম বলেন, ‌‘হারিছ উদ্দিন খুব ভালো ছেলে ছিল। এমন মৃত্যু কল্পনাও করতে পারিনি। বাবা–ছেলেসহ একসঙ্গে তিনজন মারা যাওয়ায় পরিবারটির অনেক ক্ষতি হয়ে গেল।’

স্থানীয় বাসিন্দা রবিন বলেন, এ ঘটনায় পুরো গ্রাম যেন মুহূর্তেই শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছে।

Manual5 Ad Code

ইউপি সদস্য আতিকুল ইসলাম পিয়াস বলেন, একসঙ্গে বাবা–ছেলেসহ তিনজনের মৃত্যু আমাদের পুরো ইউনিয়নকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

শেয়ার করুন