Beanibazarer Alo

  সিলেট     বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৩রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহাকাশে কী খেতেন দুই নভোচারী

admin

প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২৫ | ০২:০৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২৪ মার্চ ২০২৫ | ০২:০৬ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
মহাকাশে কী খেতেন দুই নভোচারী

Manual8 Ad Code

স্টাফ রিপোটার:
বহু প্রতিক্ষার পর অবশেষে পৃথিবীতে ফিরলেন মহাকাশে আটকে থাকা দুই নভোচারী সুনিতা উইলিয়ামস (৫৯) ও বুচ উইলমোর (৬২)। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টা ৫৭ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা উপকূল থেকে ৫০ মাইল দূরে সমুদ্রে অবতরণ করেছে তারা। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত বছরের জুন থেকে দীর্ঘ ৯ মাস মহাকাশে ছিলেন দুই নভোচারী। মহাকাশে এতটা সময় কিভাবে ছিলেন বা কি খেয়েই জীবিত ছিলেন তা নিয়ে রয়েছে নানা আগ্রহ। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে এ বিষয়ে উঠে এসেছে এ তথ্য।

Manual3 Ad Code

গত বছরের ১৮ নভেম্বর সুনিতাদের নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট। সেখানে বলা হয়, আইএসএসে আটকে থাকা নাসার নভোচারী বুচ আর সুনিতা পিৎজা, রোস্ট করা মুরগির মাংস আর চিংড়ির ককটেল খাচ্ছেন। সুনিতারা যেই মহাকাশযানে (বোয়িংয়ের স্টারলাইনার) চেপে আইএসএসের পাড়ি জমিয়েছিলেন, সেটার সঙ্গে সম্পৃক্ত একজন নিউইয়র্ক পোস্টের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি জানান, সুনিতারা এতটুকুই তাজা খাবার খেতে পেতেন, যতটুকু খাদ্যতালিকায় পুষ্টিমান বজায় রাখার জন্য জরুরি।

সংশ্লিষ্ট একজন বিশেষজ্ঞ জানান, সুনিতারা সকালের নাশতায় সিরিয়াল, গুঁড়া দুধ, পিৎজা, রোস্ট করা মুরগির মাংস, চিংড়ির ককটেল আর টুনা মাছ খাওয়ার সুযোগ পেতেন। তারা দুজন কতটা ক্যালরি গ্রহণ করছেন, সেটা নাসার চিকিৎসকেরা পর্যবেক্ষণ করতেন। সুনিতা ও বুচের জন্য আইএসএসে তাজা ফল ও সবজি ছিল। কিন্তু তিন মাসের মধ্যে সেটা ফুরিয়ে যায়।

Manual3 Ad Code

গত বছরের নভেম্বরে ওই সূত্র জানান, শুরুতে তাজা ফল ছিল। তবে মাস তিনেকের মধ্যে তা শেষ হয়ে যায়। তাদের ফল আর শাকসবজি থাকে প্যাকেটজাত বা হিম করে শুকানো। আইএসএসে সুনিতা-বুচ ডিম আর মাংস খেতেন। তবে সেসব পৃথিবীতে রান্না করা সংরক্ষিত খাবার। স্টেশনে তারা শুধু সেগুলো গরম করে নিতেন। এ ছাড়া স্যুপ, স্টু আর ক্যাসেরোলের মতো খাবার শুকনা অবস্থায় নিয়ে গিয়েছিলেন। পরে সেখানে ৫৩০ গ্যালনের ট্যাংকে থাকা সুপেয় পানি দিয়ে সেসব খাবার গরম করা হতো।

Manual6 Ad Code

আইএসএসে নভোচারীদের প্রস্রাব ও ঘাম পুনর্ব্যবহার করে সুপেয় পানিতে পরিণত করা হয়। বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করেই বলছেন, আইএসএসে পুষ্টিকর খাবারের অভাবে কারও ওজন কমেনি। তাদের মতে, সেখানে পর্যাপ্ত খাবার রয়েছে। এমনকি সুনিতাদের মতো কোনো অভিযান যদি আকস্মিকভাবে বিলম্বিত হয়, তাহলেও খাবারের অভাব হবে না। বিলম্বিত অভিযানের ক্ষেত্রে বাড়তি সরবরাহের পরও আইএসএসে একেকজন নভোচারীর জন্য দৈনিক ৩ দশমিক ৮ পাউন্ড খাবার মজুত রয়েছে।

শেয়ার করুন