Beanibazarer Alo

  সিলেট     শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৩১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যারা বছরের পর বছর গুপ্ত ছিল, তারাই আজ মজলুমদের গুপ্ত বলে: জামায়াত আমির

admin

প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ | ১০:৫২ অপরাহ্ণ | আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ | ১০:৫২ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
যারা বছরের পর বছর গুপ্ত ছিল, তারাই আজ মজলুমদের গুপ্ত বলে: জামায়াত আমির

Manual6 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

Manual8 Ad Code

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যারা নিজেরাই বছরের পর বছর গুপ্ত হয়ে ছিলেন, তারাই আজ মজলুমদের নিয়ে এসব বলছেন। অন্যের দিকে আঙুল তোলার আগে নিজেদের দিকে তাকালে সেটাই ভালো হবে। অন্যের চেহারা না দেখে নিজের চেহারা দেখুন।শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ঢাকার কেরানীগঞ্জে এক নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতীতের কথা বাদই দিলাম। অতীতে কে কী করেছে— তা নিয়ে অনেকে গুপ্ত, সুপ্তসহ আরও কত কিছু যে বলে, তার কোনো সীমা নেই।

Manual3 Ad Code

জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ‘আমরা যেদিকে আগাতে চাই, কোনো কোনো দল সামনে গিয়ে বাধা দিয়ে দেয়। আমাদের আগাতে দেয় না। তার সাক্ষী— এই ১২ তারিখের গণভোট। জুলাই সংস্কার প্রস্তাবগুলো নিয়ে গণভোট হবে, বলে যে গণভোট আবার কিসের? ধাক্কা খেয়ে যখন মানল তখন বলে যে না, গণভোট আলাদা হতে পারে না, হতে হবে নির্বাচনের সাথে। আমাদের দাবি ছিল গণভোটটা আগে হোক, তাহলে গণভোটটা সুন্দর হবে এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনটা সুন্দর হবে। তাদের দাবি পূরণ করা হলো। তখন বলে আমরা গণভোট মানি না।’

Manual4 Ad Code

তিনি বলেন, ‘এতদিন চিল্লাপাল্লা করে এখন যখন জনগণ জবাব চাচ্ছে— আপনারা কি নতুন বাংলাদেশ চান না পুরোনো ফ্যাসিবাদী বাংলাদেশ চান? আপনাদেরকে আপনাদের অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে। তখন তারা গতকাল থেকে একটু একটু বলা শুরু করেছে। আসলে এ হলো ঠেলার নাম বাবাজি। এই জাতি যারে ধাক্কা দেয় তারে ছেড়ে দেয় না।’

Manual1 Ad Code

জামায়াত আমির বলেন, ‘জুলাই না হলে কিসের আবার ২৬ সাল নির্বাচন? জুলাই না হলে তো নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ফ্যাসিবাদীদের অধীনে ২৯ সালে। ২৬ সালের নির্বাচন চাইব, আবার জুলাই মানব না, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করব না, সম্মান দেখাব না— এটা হতে পারে না। আমরা স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছি, ইনশাল্লাহ এই বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত করে ছাড়ব, চাঁদাবাজমুক্ত করে ছাড়ব, মা-বোনদের ইজ্জত প্রতিষ্ঠা করে ছাড়ব। শিশু এবং বৃদ্ধদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ ইনশাল্লাহ উপহার দেব। বাংলাদেশে আর কোনো ব্যাংক ডাকাতের অস্তিত্ব থাকবে না। আমরা বলেছি আর কোনো শেয়ার মার্কেট লুট করার দুঃসাহস কেউ দেখাবে না। আমরা বলেছি আর ঘরে ঘরে চাদার নামে ডাকাতি করার সুযোগ দেব না।’

শেয়ার করুন