Beanibazarer Alo

  সিলেট     বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শতাধিক গুম-খুনের মামলায় জিয়াউলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

admin

প্রকাশ: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
শতাধিক গুম-খুনের মামলায় জিয়াউলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

Manual4 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে শতাধিক গুম ও হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়ায় আজ গুরুত্বপূর্ণ ধাপ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার মামলায় প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।

Manual1 Ad Code

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-এ এ কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

Manual1 Ad Code

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, শুনানির শুরুতে মামলার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) দেওয়া হবে। এরপর এক নম্বর সাক্ষীর জবানবন্দির মাধ্যমে মূল সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। এই মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য দেওয়ার কথাও রয়েছে।

গত ১৪ জানুয়ারি জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আজকের দিনটি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নির্ধারণ করা হয়।

Manual8 Ad Code

মামলার এজাহার অনুযায়ী, প্রথম অভিযোগটি ২০১১ সালের ১১ জুলাইয়ের। ওই দিন রাতে গাজীপুরের পুবাইল এলাকায় তার সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ তিনজনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল ও মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যার দায় রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তৃতীয় অভিযোগেও একই সময়পর্বে আরও ৫০ জন হত্যার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা অভিযোগ আমলে নেন আদালত। পরে ২৩ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে মামলার বিচারপ্রক্রিয়া আরও অগ্রসর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Manual4 Ad Code

শেয়ার করুন