Beanibazarer Alo

  সিলেট     শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৩১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে ক্লুলেস হ*ত্যা মা ম লা য় নারীসহ গ্রে*প্তা*র ২

admin

প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ | ১১:৩২ অপরাহ্ণ | আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ | ১১:৩২ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
সিলেটে ক্লুলেস হ*ত্যা মা ম লা য় নারীসহ গ্রে*প্তা*র ২

Manual6 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

সিলেটের জালালাবাদ থানায় ক্লুলেস হত্যা মামলায় নারীসহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Manual8 Ad Code

তারা হলেন জালালাবাদ থানার বড়পৌদ এলাকার মহরম আলী ও কমরুন্নেছার ছেলে আব্দুল মতিন (৪৫) ও নগরীর সোনারপাড়া এলাকার নবারুন ২০১নং বাসার খালেদা বেগম (৩২)। তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানার দলইরগাঁওয়ের ইসমাইল আলীর স্ত্রী।

Manual1 Ad Code

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) নগরীর সোনারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার কলে জালালাবাদ থানাপুলিশ।

জানা যায়, গত ২৯ জানুয়ারি দুপুর দেড়টার দিকে জালালাবাদ থানার হাটখোলা ইউনিয়নের উমাইরগাঁও এলাকায় বাদেশ্বর নদীর উত্তর পাড়ে কুড়াইল হাওড়ের ঝোপঝাড়ে অজ্ঞাতনামা এক পুরুষের (৩০) মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি প্রকাশের মাধ্যমে মৃতের পরিচয় শনাক্ত হয়। তার নাম শোয়েবুর রহমান ওরফে শিহাব ওরফে রাজ (৩০)। তিনি এয়ারপোর্ট থানার বড়শালা মংলিপাড়ার আমীর আলী ও রেজিয়া বেগমের ছেলে।

এ ঘটনায় শোয়েবুরের বড় ভাই সয়াইবুর রহমানের (৩৬) অভিযোগের ভিত্তিতে জালালাবাদ থানায় মামলা (নং- ১২/১২, তারিখ-৩০/০১/২০২৬) দায়ের করা হয়।

ধৃত আসামীদের স্বীকারোক্তি থেকে জানা যায়, শোয়েবুর রহমান ২০২৩ সাল থেকে আসামী খালেদা বেগমের বাসায় তার সন্তানদের আরবি গৃহ শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। খালেদা বেগমের স্বামী প্রবাসে থাকায় ভিকটিম বাসার সার্বিক দেখাশোনায় জড়িত হন এবং একপর্যায়ে তাদের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ভিকটিম খালেদা বেগমকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন এবং তার স্বামীর সাথে শিবগঞ্জ উপশহর এলাকায় একটি প্লট যৌথভাবে ক্রয়ের পরিকল্পনা করে ২০ লক্ষ টাকা বায়না দেন। পরবর্তীতে ভিকটিম পর্তুগাল ও লন্ডনে  নেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জমির বায়নার টাকা ও খালেদা বেগমের প্রায় ৭ লক্ষ টাকার স্বর্ণালঙ্কার বিক্রির অর্থসহ বিভিন্ন সময়ে  প্রায় ৬০ লক্ষ টাকার অধিক গ্রহণ করেন।

পুলিশ জানায়, বিদেশে নিতে ব্যর্থ হলে ভিকটিমের প্ররোচনায় খালেদা বেগম ও তার সন্তানদের লন্ডনে গমনের ভুয়া নাটক সাজানো হয় এবং পুণরায় সিলেটে তাদের নতুন ভাড়াকৃত বাসায় উঠেন। একপর্যায়ে লন্ডনে নেওয়ার বিষয়ে চাপ দিলে ভিকটিম আসামী খালেদা বেগম ও তার পরিবারের সদস্যদের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন এবং একইসাথে তার মেয়ের সাথেও অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।

Manual5 Ad Code

এরই ধারাবাহিকতায় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ভিকটিমকে বাদেশ্বর নদীর পাশে কুড়াইল হাওড়ে বেতের ঝোঁপে হত্যার করে মৃতদেহ বিবস্ত্র করে এবং বস্তা দ্বারা মৃতের মুখসহ অর্ধাংশ ঢেকে রেখে তারা পালিয়ে যায়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত কিশোরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

Manual8 Ad Code

শেয়ার করুন