Beanibazarer Alo

  সিলেট     শুক্রবার, ২রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে ‘প্রতীকে’ একাট্টা বিএনপি

admin

প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
সিলেটে ‘প্রতীকে’ একাট্টা বিএনপি

Manual4 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

Manual8 Ad Code

দলের ভেতরে মনোনয়ন নিয়ে অন্তর্কোন্দল ছিল। ছিল আরও নানান সমস্যা। তবে প্রতীক বরাদ্দের পর এসব সমস্যা কেটে গেছে বলেই মনে করছেন রাজনীতি বিষয়ে অভিজ্ঞরা। তারা বলছেন, সিলেট বিএনপি এখন ধানের শীষের পক্ষে একাট্টা। এর প্রমাণ হিসাবে তারা উদাহরণ টানছেন বৃহস্পতিবারের আলিয়া মাঠের জনসভাকে। অন্তত সিলেটের মাটিতে স্মরণকালে এত বড় জনসভা আর হয়নি বলেই মত তাদের। আর এটা দলীয় ঐক্যের ফল- বলছেন নেতাকর্মীরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নিবাচনকে কেন্দ্র করে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে সিলেটে বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি থাকতে পারে বলে আশঙ্কা ছিল তীব্র। যেমন, সিলেট- ১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা আরিফুল হক চৌধুরী ও অপর উপদেষ্ঠা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তবে মুক্তাদিরকে মনোনয়ন দিলে আরিফ বিদ্রোহী প্রার্থী হতে পারেন- এমন আলোচনা সমালোচনা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আরিফুল হক চৌধুরীকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয় সিলেট- ৪ আসনে। ব্যস! ঝামেলা মিটে গেলে। তবে নতুন ঝামেলা তৈরি হল সিলেট-৪ আসনে। সেখানে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন বিএনপি নেতা আব্দুল হাকিম চৌধুরী। তবে কিছুদিন পর আরিফ ম্যাজিকে হাকিম চৌধুরীও নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন। দিলেন আরিফুল হক চৌধুরীকে সমর্থন। মিটে গেল এ আসনের সমস্যাও।এরপর সিলেট-৩ আসনের গল্প। এখানে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন বিএনপির অন্তত তিনজন বড় নেতা। তারা হলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা এমএ মালিক, কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যরিষ্টার এমএ সালাম এবং সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে সালাম এবং কাইয়ুমকে দেখা গেল এমএ মালিকের পাশে। মানে এ আসনেও বরফ গলেছে। বিদ্রোহের শঙ্কা কেটে গেল।

সিলেট-৬ আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরীকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হলে বিদ্রোহের শঙ্কা প্রবলভাবে জেগে উঠে। কারণ, এ আসনে ২০১৮ সালে  দলীয় মনোনয়ন পাওয়া ফয়সল আহমদ চৌধুরী এবারও ছিলেন মনোনয়ন প্রত্যাশী। তার পক্ষ থেকে জোরালো দাবি উঠে সিদ্ধান্তটি পূণঃবিবেচনার। হলোও তাই। ডিসেম্বররের শেষের দিকে কেন্দ্রীয় বিএনপি থেকে ফয়সল চৌধুরীকেও মনোনয়ন পত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। তিনি তাই করলেন। তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্ত এল এমরান চৌধুরীর পক্ষেই।

 

এরপর আবারও বিদ্রোহের একটা বাতাস বইতে শুরু করেছিল। তবে সেই বাতাস থেমে গেছে প্রতীক বরাদ্দের পর ২১ জানুয়ারি। সেদিন সিলেট-৬ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এমরান চৌধরীর উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছিলেন ফয়সল চৌধুরীও। শুধু উপস্থিতই নয়, তিনি নিজেও সব মতভেদ ভুলে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে থাকার বা কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন সর্বস্থরের নেতাকর্মীদের প্রতি।

Manual7 Ad Code

তবে বিএনপির একটা সমস্যা রয়েই গেছে। আর সেটা হচ্ছে সিলেট-৫ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী, সিলেট জেলা বিএনপির বহিস্কৃত প্রথম সহসভাপতি মামুনুর রশীদ বা চাকসু মামুন। কোনোভাবেই তাকে আর থামানো সম্ভব হয়নি। নির্বাচনে তিনি আছেন। এ আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেয়নি। বরং জোটপ্রার্থী জমিয়ত সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক কে সমর্থন দিয়েছে তারা।

 

Manual6 Ad Code

মোটামুটি ১৩ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধানের শীষের পক্ষে সিলেট জেলা বিএনপি একাট্টা- একথা বলাই যায়।

Manual3 Ad Code

শেয়ার করুন