Beanibazarer Alo

  সিলেট     মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৭শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিক্ষোভে রক্তক্ষয়, অবশেষে নেপালে সোশ্যাল মিডিয়ার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

admin

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
বিক্ষোভে রক্তক্ষয়, অবশেষে নেপালে সোশ্যাল মিডিয়ার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

Manual3 Ad Code

নিউজ ডেস্ক:
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মের তীব্র আন্দোলন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ১৯ জন নিহত ও শতাধিক আহত হওয়ার পর অবশেষে ফেসবুক, এক্স, ইউটিউবসহ ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলির নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা।

Manual3 Ad Code

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন দেশটির যোগাযোগ, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী পৃথ্বী সুব্বা গুরুং।

Manual1 Ad Code

মন্ত্রী জানান, সরকার জেনারেশন জেড বা তরুণ প্রজন্মের দাবি মেনে নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা শান্ত হোন এবং বাড়ি ফিরে যান।’ পাশাপাশি সোমবারের সহিংসতার তদন্তে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাকে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত বছরের হাইকোর্টের নির্দেশনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে নেপালে নিবন্ধনের শর্ত দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী ২৮ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেয় সরকার। কিন্তু ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউবসহ বড় প্ল্যাটফর্মগুলো নিবন্ধন না করায় গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ২৬টি প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়।

Manual6 Ad Code

সরকারের এ পদক্ষেপেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে নেপালের শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্ম। ৪ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিবাদের প্রস্তুতি নিতে থাকা আন্দোলন সোমবার রাজধানীজুড়ে রীতিমতো বিস্ফোরিত হয়ে পড়ে। কারফিউ অমান্য করে রাস্তায় নামেন হাজারো তরুণ-জনতা। পুলিশের গুলি ও সংঘর্ষে বাণেশ্বরসহ বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১৯ জন নিহত ও শতাধিক আহত হন।

Manual8 Ad Code

আন্দোলনের মুখে সোমবার নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক পদত্যাগ করেন। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী অলির পদত্যাগের দাবিও ওঠে। এদিকে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে অলি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স জানিয়েছে তারা নেপালে নিবন্ধিত হবে না। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শুধু তাদের নেপালের আইন মেনে চলতে বলেছিলাম, কারণ এটি আমাদের জাতীয় সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।’

শেয়ার করুন