Beanibazarer Alo

  সিলেট     মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৭শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘুষ নেওয়ার দায়ে চীনের সাবেক কৃষিমন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

admin

প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ০৬:৫০ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ০৬:৫০ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
ঘুষ নেওয়ার দায়ে চীনের সাবেক কৃষিমন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

Manual5 Ad Code

নিউজ ডেস্ক:
চীনের প্রাক্তন কৃষি ও গ্রামীণ বিষয়ক মন্ত্রী তাং রেনজিয়ানকে ঘুষের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) জিলিন প্রদেশের চাংচুনের একটি আদালত এই সাজা ঘোষণা করেন। তবে সাজা কার্যকরের আগে তাকে দুই বছর পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

Manual7 Ad Code

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, চীনে দুই বছরের প্রবেশন সময়ের মধ্যে যদি অপরাধী নতুন কোনো অপরাধ না করে, তাহলে সাধারণত স্থগিত মৃত্যুদণ্ডকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরিত করা হয়। ভালো আচরণের জন্য সাজা আরও কমানো যেতে পারে।

চায়না ডেইলি জানিয়েছে, তাংকে আজীবনের জন্য রাজনৈতিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সমস্ত ব্যক্তিগত সম্পদ।

Manual7 Ad Code

চাংচুন ইন্টারমিডিয়েট পিপলস কোর্টের রায় অনুসারে, তার অবৈধ লাভ এবং সংশ্লিষ্ট স্বার্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Manual8 Ad Code

আদালত বলেছে, ২০০৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তাং গানসু প্রদেশের গভর্নর এবং কৃষি ও গ্রামীণ বিষয়ক মন্ত্রীর পদ ব্যবহার করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম, প্রকল্পের চুক্তি এবং চাকরির সমন্বয়ের মতো বিভিন্ন বিষয়ে কিছু ব্যক্তি সুবিধা আদায় করেছেন।

আদালত জানিয়েছে, সব মিলিয়ে তিনি ২৬৮ মিলিয়ন ইউয়ান (৩৭.৫৭ মিলিয়ন ডলার) মূল্যের ঘুষ গ্রহণ করেছেন।

রায়ের সময় আদালত বলেন, ‘তাংকে ঘুষের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা উচিত এবং মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত। কারণ তার ঘুষের পরিমাণ অত্যন্ত বেশি, যা দেশ ও জনগণের জন্য বিশাল ক্ষতির কারণ।’

তবে আদালত বলেছে, তাং নমনীয়তা দেখিয়েছে, স্বেচ্ছায় তদন্তকারীদের অজানা ঘুষের কথা জানিয়েছেন এবং তার অবৈধ লাভের টাকা হস্তান্তর করতে সম্মত হয়েছেন।

Manual6 Ad Code

চংকিংয়ের বাসিন্দা ৬৩ বছর বয়সী তাং ১৯৮৩ সালে তার কর্মজীবন শুরু করেন এবং ১৯৯১ সালে চীনের কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন। তিনি কয়েক দশক ধরে দেশটির কৃষি খাতে কাজ করেছেন।

২০২৪ সালের মে মাসে দলীয় শৃঙ্খলা এবং জাতীয় আইনের গুরুতর লঙ্ঘনের সন্দেহে তাকে তদন্তের আওতায় আনা হয়। ছয় মাস পর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং সরকারি পদ থেকে অপসারণ করা হয়। এপ্রিল মাসে তাকে ঘুষের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। জুলাই মাসে আদালত প্রকাশ্যে মামলাটির শুনানি করে।

শেয়ার করুন