Beanibazarer Alo

  সিলেট     শনিবার, ৩রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এনসিপিকে ১০ আসন ছাড় দেওয়ার খবর ‘কাল্পনিক’: জামায়াত নায়েবে আমির

admin

প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৪:০৮ অপরাহ্ণ | আপডেট: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৪:০৮ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
এনসিপিকে ১০ আসন ছাড় দেওয়ার খবর ‘কাল্পনিক’: জামায়াত নায়েবে আমির

Manual2 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ১০টি আসনে ছাড় দিতে জামায়াতে ইসলামী রাজি হয়েছে—এমন খবরকে সম্পূর্ণ ‘কাল্পনিক’ বলে মন্তব্য করেছেন দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

বুধবার (৬ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এর আগে একই দিনে ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের (ইইএএস) এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক পাওলা পাম্পালোনি জামায়াত আমিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠক শেষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন জামায়াত নায়েবে আমির।

সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ তাহের অভিযোগ করে বলেন, “গত এক-দুই সপ্তাহ ধরে সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনীসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তর যেভাবে একটি বিশেষ দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে, তাতে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে—আসন্ন নির্বাচন আবার পাতানো নির্বাচন হবে কি না।”

Manual3 Ad Code

তিনি বলেন, “আমরা মনে করি, পাতানো নির্বাচন বাংলাদেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশন, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের আবেদন—তারা যেন অবিলম্বে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে এবং দেশকে রক্ষার জন্য দায়িত্বশীল আচরণ করে।”

Manual4 Ad Code

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে সৈয়দ তাহের বলেন, “ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানিয়েছে, তারা এই নির্বাচনে সর্বোচ্চ সংখ্যক পর্যবেক্ষক পাঠাবে। আমরা বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছি।”

Manual3 Ad Code

রোহিঙ্গা ইস্যুতে জামায়াতের অবস্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, “ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা জানতে চেয়েছেন—জামায়াত ক্ষমতায় গেলে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় কী করবে। আমরা জানিয়েছি, ক্ষমতায় গেলে দেশি-বিদেশি সব অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

Manual1 Ad Code

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হবে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা, তাদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং সেখানে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখা।”

শেয়ার করুন