অপর পাঁচজন হলেন, কানাইঘাট উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ওয়েছ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক খছরুজ্জামান পারভেজ, কোষাধ্যক্ষ আবুল বাশার, ২নং লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ও ৯নং রাজাগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল হোসেন নিমার।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বহিষ্কৃত নেতারা দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি থেকে বহিস্কৃত মামুনুর রশীদ মামুন- চাকসু মামুনের পক্ষে কাজ করছিলেন।
তবে এ প্রসঙ্গে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছেন দলীয় নির্দেশনা অমান্য ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাদের সব ধরনের দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে এখন জকিগঞ্জ-কানাইঘাটটে তোলপাড় চলছে। বলাবলি হচ্ছে, কেবল এ ৯জনই নয়, আরও প্রচুর বিএনপি নেতা গোপনে চাকসু মামুনের জয় নিশ্চিতে কাজ করছেন।
উল্লেখ্য, সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেয়নি। তবে আসন সমঝোতার ভিত্তিতে তারা এ আসনে জমিয়তের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলনা উবায়দুল্লাহ ফারুক কে সমর্থন জানিয়েছে। এ সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে চাকসু মামুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এরপর নেমে আসে শাস্তির খড়গ। বিএনপি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে।