বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সুন্দর নিরপেক্ষে ও গ্রহণযোগ্য নির্বচন হিসাবে এখনো সেই ১৯৯১ সালের নির্বাচনকেই ধরা হয়।
সেই নির্বাচনে সিলেট-১ আসন থেকে বিজয়ীয় হয়েছিলেন খন্দকার আব্দুল মালিক। এ আসনের বর্তমান সাংসদ খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের পিতা ছিলেন তিনি। সেই মালিক এমপির ছেলে মন্ত্রী হয়েছেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর এবারের নির্বাচনে শুধু নিজেদের হারানো আসন পুনরুদ্ধারই করেন নি, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় এ আসনের জনসাধারনকে আনন্দের বিশেষ একটা উপলক্ষও এনে দিয়েছেন।
বিএনপি নেতাকর্মী এবং তার ভক্ত অনুরাগীরা এখন উৎফুল্ল। নানাভাবেই তারা বিষয়টা উদযাপন করছেন। আর প্রবীনরা স্মরণ করছেন তার পিতা খন্দকার আব্দুল মালিক কে। তার হাত ধরে সিলেট মহানগরীর কি কি উন্নয়ন হয়েছিল, ব্যক্তি মানুষ হিসাবে তার গ্রহণযোগ্যতা কোন পর্যায়ে ছিল ইত্যাদি নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা।
গত নির্বাচনী প্রচারণার সময়েও বিষয়টি লক্ষ্য করেছেন বিএনপি নেতাকর্মী এবং স্বয়ং খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। যেখানেই গিয়েছেন, প্রবীন ও বয়স্করা তার কাছে ছুটে এসেছেন। তার বাবা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের স্মৃতিচারণ করে তাকে দোয়া করেছেন।
তিনিও পিতার অসামান্য জনপ্রিয়তা কখনো চমকে উঠেছেন, কখনো বা মুগ্ধ হয়েছেন। সবার দোয়া ও আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে তিনি এগিয়ে চলেছেন দেশের সেবায়, মানুষের সেবায়।