Beanibazarer Alo

  সিলেট     বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইসিটির চিফ প্রসিকিউটরের পদ হারাচ্ছেন তাজুল ইসলাম

admin

প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৫:০৭ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৫:০৭ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
আইসিটির চিফ প্রসিকিউটরের পদ হারাচ্ছেন তাজুল ইসলাম

Manual8 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

Manual8 Ad Code

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। সোমবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির সম্ভাবনা রয়েছে।

Manual4 Ad Code

তার বদলে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামের নাম বিবেচনাধীন আছে বলে জানা গেছে।

ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান তার ফেসবুক প্রোফাইলে রোববার রাত ১১টার দিকে এই খবরটি প্রকাশ করেছেন।

এর আগে রোববার দিনের বেলা চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান তার কার্যালয়ে ডেকে পাঠান। সেখানে জনাব তাজুলকে জানানো হয় নতুন চিফ প্রসিকিউটর নিয়োগে সরকারের উচ্চ মহলের আগ্রহের কথা।

Manual5 Ad Code

আমিনুল ইসলাম পূর্বে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মাতা দুর্নীতির মামলায় তার পক্ষে আইনজীবী দলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন; যে মামলায় তিনি কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হন।

তাজুল ইসলাম এক সময় জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এরপর তিনি যোগ দেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টিতে। তিনি দলটির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন। আইসিটির চিফ প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পাওয়ার ঠিক আগে তিনি এবি পার্টি থেকে পদত্যাগ করেন।

মুহাম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ ৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর নিয়োগের কথা জানিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

Manual6 Ad Code

এ আইনজীবী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে আইনি লড়াই করেছিলেন। তিনি ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের মোল্লার পক্ষে প্রতিরক্ষা আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন। এছাড়াও, তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের সেক্রেটারি জেনারেল যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের পক্ষে প্রতিরক্ষা আইনজীবী ছিলেন। একই ট্রাইব্যুনালে তাজুল ইসলাম যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে এবং পরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে নিয়োগে আইনি ব্যত্যয় নিয়ে আইনজ্ঞদের সমালোচনার জবাব দেয়নি সরকার।

শেয়ার করুন