Beanibazarer Alo

  সিলেট     বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুলশানে বাড়ি পেলেন আরিফুল হক চৌধুরী

admin

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
গুলশানে বাড়ি পেলেন আরিফুল হক চৌধুরী

Manual1 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

Manual2 Ad Code

নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের জন্য সরকারি বাসা বরাদ্দ দিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সরকারি আবাসন পরিদপ্তর। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। শিগগিরই সংশ্লিষ্টদের কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পরিদপ্তর।

সিলেটের দুই মন্ত্রীর মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সরকারি বাসা বরাদ্দ পেয়েছেন গুলশানে। তবে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির কোথায় বাসা বরাদ্দ পেয়েছেন তা জানা যায়নি।

Manual1 Ad Code

রাজধানীর হেয়ার রোড, মিন্টো রোড ও বেইলি রোড ‘মন্ত্রিপাড়া’ নামে পরিচিত। আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীরা এখানে থাকতেন। তাদের পতনের পর গঠিত অন্তর্র্বতী সরকারের উপদেষ্টারাও এসব বাংলোয় বসবাস শুরু করেছিলেন।

Manual7 Ad Code

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নিয়ে সরকার গঠন করে। এরপর দায়িত্ব হস্তান্তরের সঙ্গে সঙ্গে সদ্য বিলুপ্ত অন্তর্র্বতী সরকারের উপদেষ্টারা বাংলো ছাড়তে শুরু করেন।

সরকারি আবাসন পরিদপ্তর জানিয়েছে, বেশির ভাগ উপদেষ্টা ইতোমধ্যে বাসা ছেড়ে দিয়েছেন। সর্বশেষ গত সোমবার তিনজন সাবেক উপদেষ্টা বাংলো ছাড়েন। আরও দুজন শিগগির বাসা ছাড়বেন বলে জানিয়েছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান আগে থেকেই মিন্টো রোডের ৩৩ নম্বর বাংলোয় থাকছেন। তিনি ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন। পরে তাকে টেকনোক্র্যাট কোটায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী করে বিএনপি সরকার। ফলে তিনি ওই বাংলোতেই থাকছেন।মন্ত্রীদের কে কোথায় পেলেন সরকারি বাসা: 
সরকারি আবাসন পরিদপ্তর সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ৩৫ হেয়ার রোড; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে ২৪ বেইলি রোড; মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদকে (বীর বিক্রম) ৫ হেয়ার রোড; সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনকে ২৫ বেইলি রোড; ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদকে ৭ মিন্টো রোড; ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে ২ মিন্টো রোড; সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীকে ৫ মিন্টো রোড; আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানকে ১ হেয়ার রোড; পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে ৬ হেয়ার রোডের বাংলোবাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতাকে ১ মিন্টো রোড; স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনকে ৪ মিন্টো রোড; শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে ৩৪ মিন্টো রোড; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামকে ৪১ মিন্টো রোড; প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহকে ২ হেয়ার রোডে বাংলোবাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মির্জা আব্বাস ও নজরুল ইসলাম খানকে বেইলি রোডে বাংলোবাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে গুলশানে; শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে গুলশানে, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে ধানমন্ডিতে সরকারি বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীদের জন্য মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্ট :
প্রতিমন্ত্রীদের হেয়ার রোডের ‘মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্ট’-এ ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এখানে তিনটি দশতলা ভবনে মোট ৩০টি ফ্ল্যাট রয়েছে।

সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের বাসায় উঠতে কিছুটা সময় লাগবে। কিছু সংস্কারকাজ বাকি রয়েছে। আগামী ঈদুল ফিতরের পর তারা সরকারি বাসায় উঠতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

Manual4 Ad Code

শেয়ার করুন