বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে মন্ত্রী জানান, বিশাল ঋণের বোঝা থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের ওপর এখনই দামের চাপ দিতে চান না তিনি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) দাম বাড়ানোর চাপ দেওয়ার আগেই খরচ কমিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ চুক্তিগুলো নিয়ে পুনরায় সমঝোতা করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
সিস্টেম লস কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, বিএনপির সময়ে সিস্টেম লস ৬ শতাংশ থাকলেও বর্তমানে তা ১০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এটি ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে পারলে জনগণের ওপর বাড়তি দামের বোঝা চাপাতে হবে না। তাঁর দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য এই লস ৩ শতাংশে নামিয়ে আনা।
গ্যাস সংকটের বিষয়ে মন্ত্রী সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারকে দায়ী করে বলেন, দীর্ঘ সময় নতুন কূপ খনন না করায় এবং উৎপাদন না বাড়ায় বর্তমানে এই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ব্যবস্থাপনার ত্রুটির চেয়ে গ্যাসের অভাবই মূল কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চাইলেই রাতারাতি গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব নয়, এর জন্য নির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজন।’