Beanibazarer Alo

  সিলেট     বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৮শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে তেল কিনতে গিয়ে ভারতীয় ট্রাক জ ব্দ

admin

প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬ | ০৭:৩৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: ০৮ মার্চ ২০২৬ | ০৮:০৯ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
সিলেটে তেল কিনতে গিয়ে ভারতীয় ট্রাক জ ব্দ

Manual6 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

Manual1 Ad Code

সিলেটের বিয়ানীবাজারের শেওলা স্থলবন্দরে অবৈধভাবে ভারতীয় মুদ্রা রুপি দিয়ে জ্বালানি তেল কেনার চেষ্টার অভিযোগে একটি ভারতীয় ট্রাক জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় ট্রাকচালককে আটক করা হলেও পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যায় বিজিবি ট্রাকটি জব্দ করে।ট্রাকটি এখনো বিজিবির হেফাজতে রয়েছে।

আটক ট্রাকচালকের নাম নিখিল দাস (৪৫)। তিনি ভারতের আসাম রাজ্যের করিমগঞ্জ জেলার কালাইন থানার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত জলধর দাস।

সূত্র জানায়, গত শনিবার সন্ধ্যায় নিখিল দাসের পাথরবোঝাই ট্রাক বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়ন (৫২ বিজিবি) অধীনে থাকা শেওলা আইসিপি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। পাথর খালাস করার পর ট্রাকটি ভারতে ফেরার পথে জ্বালানি সংকটে পড়ে। এ সময় তিনি বাংলাদেশে অবস্থিত ‘নাদিয়া স্টোর’ নামের একটি দোকান থেকে ভারতীয় রুপি দিয়ে ডিজেল কেনার চেষ্টা করেন।

Manual6 Ad Code

বিষয়টি বিজিবির নজরে এলে তারা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে ট্রাকটি জব্দ করে। পরে ট্রাকচালককে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে ট্রাকটি এখনো বিজিবির জিম্মায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে বিজিবির কোনো কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে,  সিলেট সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচাররোধে কঠোর অবস্থানে নেমেছে বিজিবি।

শুক্রবার (৬ মার্চ) রাত থেকে শনিবার (৭ মার্চ) রাতে ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত পয়েন্ট, নদীপথ ও চিহ্নিত রুটগুলোতে টহল বৃদ্ধি, জ্বালানি স্টেশন ও পরিবহন কার্যক্রম মনিটরিং এবং সন্দেহভাজন রুটে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি পরিচালনা করা হচ্ছে।

Manual8 Ad Code

৪৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যান্টে কর্নেল মো. নাজমুল হক জানান, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তবর্তী কিছু এলাকা দিয়ে বাংলাদেশ থেকে জ্বালানি তেল পাচারের আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় বিজিবির পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিজিবির মহাপরিচালকের নির্দেশনায় সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ সতর্কতা বজায় রাখা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে শূন্যরেখা থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার অভ্যন্তর পর্যন্ত এলাকা এবং বিভিন্ন স্থলবন্দর, এলসিপি (ল্যান্ড কাস্টমস পয়েন্ট) ও আইসিপি (ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট) এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার, জ্বালানি স্টেশন ও পরিবহন কার্যক্রম মনিটরিং এবং সন্দেহভাজন রুটে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে আকস্মিক তল্লাশি পরিচালনা করা হচ্ছে।

Manual2 Ad Code

শেয়ার করুন