Beanibazarer Alo

  সিলেট     সোমবার, ৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি: পাকিস্তানের নীরব কূটনীতির বড় বিজয়

admin

প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ | ১১:৩৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ | ১১:৩৫ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি: পাকিস্তানের নীরব কূটনীতির বড় বিজয়

Manual1 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

Manual2 Ad Code

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গবেষক কুগেলম্যান একে পাকিস্তানের ‘সাম্প্রতিক বছরের অন্যতম বড় কূটনৈতিক জয়’ বলে মন্তব্য করেছেন; তিনি বলেন, এই সাফল্য সেসব ব্যক্তি বা পক্ষকেও ভুল প্রমাণ করেছে, যারা ধরে নিয়েছিলেন যে, পাকিস্তানের পক্ষে এত জটিল ও স্পর্শকাতর উদ্যোগ সফল করা সম্ভব হবে না।শেষ পর্যন্ত দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। পর্যবেক্ষকদের মতে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে এ যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসার আগে টানা দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলেছে নিবিড়, কিন্তু অনেকটাই আড়ালে থাকা কূটনৈতিক তৎপরতা। তাদের ভাষ্য, বিশেষত পাকিস্তানের ধারাবাহিক মধ্যস্থতা ছাড়া এই অগ্রগতি সম্ভব হতো না।মূলত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর পর পরই দ্রুত সক্রিয় হয়ে ওঠে ইসলামাবাদ। প্রথম দফার হামলার কয়েক দিনের মধ্যেই পাকিস্তানি কর্মকর্তারা বিশ্বের বিভিন্ন রাজধানীতে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু করে দেন। প্রকাশ্যে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখলেও, নীরবে নিজেকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি কার্যকর সেতু হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে ফেলে পাকিস্তান। যেহেতু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, এ কারণে ওয়াশিংটনে ইরানের স্বার্থ দেখভালে পাকিস্তানের ভূমিকা ইসলামাবাদকে একটি বিশেষ কূটনৈতিক
অবস্থান এনে দেয়।

Manual4 Ad Code

দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষক মাইকেল কুগেলম্যান এক মন্তব্যে বলেছেন, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এই শান্তি উদ্যোগে পাকিস্তান সামনে এসেছে বেশ কয়েকটি কারণে; সেগুলো হলো—প্রথমত, সব গুরুত্বপূর্ণ পক্ষের সঙ্গেই তাদের কার্যকর সম্পর্ক রয়েছে; দ্বিতীয়ত, তারা হোয়াইট হাউজের আস্থাভাজন; তৃতীয়ত, ইরানের সঙ্গেও তাদের রয়েছে সরাসরি যোগাযোগ এবং সর্বোপরি, মিত্র তেহরানের সমর্থন রয়েছে ইসলামাবাদের প্রতি।

কুগেলম্যান মনে করেন, পাকিস্তান এই সংঘাতের অভিঘাতের দিক থেকেও অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে ছিল। ফলে একদিকে সংঘাত থেকে নিজেকে দূরে রাখা, অন্যদিকে আঞ্চলিক কূটনীতিতে নিজের সক্ষমতা দেখানো—এ দুই লক্ষ্যই ইসলামাবাদকে সক্রিয় করে তোলে। যুদ্ধ শুরুর পরের সময়গুলোতে পাকিস্তানের বক্তব্য- বিবৃতির দিকে তাকালেই বিষয়টি পরিষ্কার বোঝা যায়।

Manual6 Ad Code

শেয়ার করুন