Beanibazarer Alo

  সিলেট     বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৮শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে হত্যা কাণ্ড: ঘরের দরজা ছিল বন্ধ, নিচ দিয়ে গড়িয়ে বেরুচ্ছিল রক্ত

admin

প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬ | ০৫:৫৪ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১২ আগস্ট ২০২৬ | ০৫:৫৪ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
সিলেটে হত্যা কাণ্ড: ঘরের দরজা ছিল বন্ধ, নিচ দিয়ে গড়িয়ে বেরুচ্ছিল রক্ত

Manual7 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালী থানাধীন রায়নগর রাজবাড়ি আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রী ও গৃহপরিচারিকার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে মিতালি ১১১ নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে প্রেরণ করেছে।

নিহতরা হলেন- মৃত আবরু মিয়ার ছেলে রায়নগর রাজবাড়ি এলাকার মিতালি ১১১ নম্বর বাসার মালিক মো. আব্দুস সাত্তার (৮২), তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) ও গৃহপরিচারিকা তাহমিনা (২৫)।

Manual1 Ad Code

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম বলেন,‘খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসার ভেতর থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাদের গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ১১টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে থেকে মরদেহ উদ্ধারসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহের কাজ চালায় পুলিশ। পরবর্তীতে আনুমানিক পৌনে ৫টার দিকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

Manual2 Ad Code

ঘটনার পরপরই পুলিশের বেশ কয়েকটি ইউনিট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম জানান, ‘প্রাথমিকভাবে দেখা যায়, ঘরের দরজা বন্ধ ছিল। বাসার ফ্লোর বেয়ে নিচ দিয়ে রক্ত ঝরে পড়ছিল। ঘটনাস্থলে পিবিআই ও সিআইডি ক্রাইমসিন নিয়ে যারা কাজ করছেন। তদন্ত করার জন্য একটা স্পেশাল টিম গঠন করে দেওয়া হয়েছে।’

Manual4 Ad Code

প্রসঙ্গত, বুধবার (১২ আগস্ট) হঠাৎকরে সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে মহানগীর রায়নগর এলাকায় মো. আব্দুস সাত্তার বাসা থেকে চিৎকারের শব্দ শোনা যায়। বাসায় অসুস্থ কেউ চিৎকার করছেন ভেবে কেউ আর এগিয়ে যাননি। সকাল ১০টার দিকে বাসার রঙের কাজের জন্য একজন মিস্ত্রি এসে ডাকাডাকি করেও সাড়াশব্দ পায়নি। এসময় পাশের বিল্ডিংয়ের দু’তলার এক ভাড়াটে দেখতে পান আব্দুস সাত্তারের বাসার দরজার নিচ দিয়ে বারান্দায় রক্ত গড়িয়ে বেরুচ্ছে। এসময় তারা দ্রুত চিৎকার-চেচামেচি করলে আশপাশের আরও লোকজন জড়ো হন। পরবর্তীতে থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের প্রধান দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে লাশ উদ্ধার করে।

Manual3 Ad Code

এসময় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসার একটি রুমে আব্দুস সাত্তারের ও অপর একটি রুমে সুরাইয়া ও তাহমিনার রক্তাক্ত মরদেহ পড়েছিল। বাসার দক্ষিণ দিকের একটি দরজা দিয়ে ঘাতকরা পালিয়ে গেছে বলে প্রমাণ মিলেছে। দোতলা থেকে নিচে নামার সময় রক্তের দাগও লেগেছিল সেখানে।

শেয়ার করুন