Beanibazarer Alo

  সিলেট     রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউপি নির্বাচনে ৪২ প্রতীক চূড়ান্ত

admin

প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
ইউপি নির্বাচনে ৪২ প্রতীক চূড়ান্ত

Manual3 Ad Code

নিউজ ডেস্ক :
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্য পদে প্রার্থীদের জন্য ৪২টি প্রতীক চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, এবার ইউপি নির্বাচন হবে নির্দলীয় প্রতীকে। একই সঙ্গে চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীদের জামানতের অর্থ এবং নির্বাচনী ব্যয়সীমাও বাড়ানো হয়েছে।

Manual5 Ad Code

১৬ সেপ্টেম্বর সই করা এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। সংশোধিত বিধিমালায় চেয়ারম্যান পদের জন্য ২০টি, সাধারণ সদস্য পদের জন্য ১২টি এবং সংরক্ষিত সদস্য পদের জন্য ১০টি প্রতীক রাখা হয়েছে।

নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীদের জামানত ৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। সাধারণ ও সংরক্ষিত সদস্য পদে জামানত ১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে জামানত ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন কোনো প্রার্থী প্রদত্ত ভোটের ১৫ শতাংশ না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। আগে মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশ পেলেই জামানত ফেরত পাওয়ার সুযোগ ছিল।

Manual7 Ad Code

এবারের ইউপি নির্বাচন হবে নির্দলীয় প্রতীকে। এর আগে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীকে ভোট হতো। সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের পর নতুন বিধিমালা থেকে দলীয় প্রতীক বাদ দিয়েছে ইসি।

Manual6 Ad Code

চেয়ারম্যান পদের জন্য নির্ধারিত ২০টি প্রতীক হলো কম্পিউটার, কলার ছড়ি, ঘণ্টা, ঘোড়া, চিংড়ি, জগ, টেবিল, টেবিলঘড়ি, টেলিফোন, দালান, দোতলা বাস, পাগড়ি, বেবিট্যাক্সি, ময়ূর, মোবাইল ফোন, মোটরসাইকেল, মোড়া, রেল ইঞ্জিন, সোফা ও হাঁস।

সংরক্ষিত সদস্য পদের জন্য রাখা হয়েছে- আলমারি, কলস, ড্রেসিং টেবিল, পালকি, ফলের ঝুড়ি, মাইক, সেলাই মেশিন, সূর্যমুখী ফুল, হরিণ ও হেলিকপ্টার।

Manual6 Ad Code

আর সাধারণ সদস্য পদের প্রতীকগুলো হলো- উট, কাপ-পিরিচ, ঘুড়ি, জাহাজ, টর্চলাইট, টিউবওয়েল, ট্রাক্টর, তালা, ফুটবল, বৈদ্যুতিক পাখা, বৈদ্যুতিক বাল্ব ও মোরগ।

সংশোধিত বিধিমালায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও ইসির হাতে দেওয়া হয়েছে। কোনো ভোটকেন্দ্রের ফলাফল বলপ্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন, কারসাজি বা অন্য কোনো অপকর্মের কারণে চরমভাবে পক্ষপাতদুষ্ট হলে কমিশন ওই কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত করতে পারবে। প্রয়োজনে নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় ভোট নেওয়ার ব্যবস্থাও করতে পারবে ইসি।

এ ছাড়া নির্বাচনী কাজে গণমাধ্যমকর্মীদের বাধা দিলে শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এ অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

নতুন বিধিমালায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। আগে এ পদে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা ব্যয়ের সুযোগ থাকলেও এখন তা বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা করা হয়েছে। তবে সাধারণ ও সংরক্ষিত সদস্য প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়সীমা ২ লাখ টাকাই রাখা হয়েছে।

শেয়ার করুন