Beanibazarer Alo

  সিলেট     শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জে স্কুলের সামনেই শিক্ষককে কুপিয়ে জখম

admin

প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
সুনামগঞ্জে স্কুলের সামনেই শিক্ষককে কুপিয়ে জখম

Manual8 Ad Code

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় বিদ্যালয়ের সামনেই লিটন বর্মণ (৩০) নামে এক শিক্ষককে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয়ের সামনেই এ ঘটনা ঘটে।

Manual1 Ad Code

হামলায় গুরুতর আহত লিটন বর্মণ উপজেলার পাথারিয়াকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। হামলাকারী টিনু মিয়া (৪০) একই গ্রামের সদর আলীর ছেলে।

Manual2 Ad Code

মাথায় গুরুতর জখম হওয়ায় আহত শিক্ষক লিটন বর্মণকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন আহত শিক্ষককে উদ্ধার করে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক লিটন বর্মণের বাবা রবি চন্দ্র বর্মণের রেকর্ডভুক্ত একটি জায়গা নিয়ে একই গ্রামের সদর আলীর ছেলে টিনু মিয়ার সঙ্গে প্রায় দুই বছর ধরে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সকাল ৯টার দিকে টিনু মিয়া তার ছেলে সঠিক মিয়া, ভাগিনা মনির মিয়াসহ ৫-৬ জনকে নিয়ে ওই জায়গা দখল করতে যান। এ সময় তারা জায়গাটি নিজেদের দাবি করে সেখানে লাল নিশান টানানোর চেষ্টা করেন।

Manual4 Ad Code

বিষয়টি জানতে পেরে রবি চন্দ্র বর্মণের ছেলে ও পাথারিয়াকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লিটন চন্দ্র বর্মণ সেখানে গিয়ে লাল নিশান টানাতে বাধা দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে লিটন চন্দ্র বর্মণের ওপর হামলার হয়।

পরিবারের অভিযোগ, টিনু মিয়া, তার ছেলে সঠিক মিয়া, ভাগনে মনির মিয়াসহ আরও কয়েকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিক্ষক লিমন বর্মণের মাথায় আঘাত করেন। এতে তার মাথায় গুরুতর জখম হয় এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহত শিক্ষক লিটন চন্দ্র বর্মণ জানান, জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এর আগেও টিনু মিয়া লিটন চন্দ্র বর্মণকে হুমকি দিয়েছিলেন। আজ বিদ্যালয়ের সামনে এসে গালাগাল করে ও আমার পেছন থেকে দা দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করেছে, এতে আমার মাথা কেটে গেছে।

হামলার অভিযোগের বিষয়ে টিনু মিয়ার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

ধর্মপাশা থানার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মো. ইমাম হোসেন বলেন, পূর্ব বিরোধের জেরে পাথারিয়া কান্দা গ্রামের স্কুলের সামনে শিক্ষকের ওপর হামলা হয়েছে বলে খবর পেয়েছি। আহত শিক্ষক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Manual7 Ad Code

শেয়ার করুন