Beanibazarer Alo

  সিলেট     শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামানত হারাচ্ছেন চট্টগ্রামে এনসিপির একমাত্র প্রার্থী

admin

প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১০:২২ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১০:২২ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
জামানত হারাচ্ছেন চট্টগ্রামে এনসিপির একমাত্র প্রার্থী

Manual4 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

Manual1 Ad Code

চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র একমাত্র প্রার্থী মো. জুবাইরুল হাসান আরিফ জামানত হারাতে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, তিনি মোট প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ পাননি।গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জামানত হিসেবে জমা দিতে হয়। জামানত রক্ষা করতে হলে মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হয়। এর কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে সরকারি কোষাগারে জমা হয়।

চট্টগ্রাম-৮ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার ৯৫৮টি, যা মোট ভোটারের ৪৭ দশমিক ০৪ শতাংশ। সে হিসেবে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট দাঁড়ায় প্রায় ৩২ হাজার ৬০০।

এই আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন নগর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ, যিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ৯৬৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর মো. আবু নাছের পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৫৬৪ ভোট। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট-এর সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান পেয়েছেন ৪২ হাজার ৫৮৫ ভোট।

Manual3 Ad Code

এনসিপির প্রার্থী মো. জুবাইরুল হাসান আরিফ পেয়েছেন মাত্র ৩ হাজার ৩৪৯ ভোট—জামানত রক্ষার প্রয়োজনীয় ভোটের তুলনায় প্রায় ২৯ হাজার কম। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মোহাম্মদ নুরুল আলম পেয়েছেন ১ হাজার ২০৮ ভোট এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ-এর মোহাম্মদ এমদাদুল হক পেয়েছেন ৮৮৪ ভোট। ফলে এ চার প্রার্থীই জামানত হারাচ্ছেন।

জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৩টিতে নিজস্ব প্রার্থী দেয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী), চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) ও চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনগুলো জোটের শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়।

Manual4 Ad Code

চট্টগ্রাম-৮ আসনটি দেওয়া হয় এনসিপিকে। তবে প্রতীক বরাদ্দের পর সরে দাঁড়িয়ে পরে আবার নির্বাচনে অংশ নেন জামায়াতের প্রার্থী আবু নাছের, যা স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দেয়।

Manual3 Ad Code

শেয়ার করুন