Beanibazarer Alo

  সিলেট     বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৮শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিল্লিতে সেই মাহদীর সঙ্গে হোটেলে থাকা তরুণীর পরিচয় মিলেছে

admin

প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
দিল্লিতে সেই মাহদীর সঙ্গে হোটেলে থাকা তরুণীর পরিচয় মিলেছে

Manual1 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান ভারতের রাজধানী দিল্লিতে গিয়েছিলেন পর্তুগালের ভিসা নিতে। দিল্লিতে থাকার সময় তার সঙ্গে এক নারীও ছিলেন। ওই নারী তার আত্মীয় ছিল বলে জানা যায় বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে।

Manual8 Ad Code

পরে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে ভারতের দিল্লি থেকে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মাহদী হাসান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। ইমিগ্রেশন কাউন্টারে গেলে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তার অভিযোগ, তিনি ভারতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হন।

Manual7 Ad Code

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, দিল্লির প্রাণকেন্দ্র কনট প্লেসে একটি বেসরকারি সংস্থার দপ্তরে মঙ্গলবার সকালে প্রথম দেখা যায় মাহদী হাসানকে। তার পাশে এক নারীও বসেছিলেন। ওই বেসরকারি সংস্থাটি বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের হয়ে ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করে থাকে।

মাহদী এবং তার পাশে বসা নারী পর্তুগালের ভিসার জন্য আবেদন করতে গিয়েছিলেন।
পর্তুগালের ভিসা নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের নাগরিকদের দিল্লিতে আসতে হয়, সে জন্য ভারতীয় ভিসা লাগে। জানা গেছে, বাংলাদেশের ভারতীয় দূতাবাস মাহদী হাসানকে ভিসা দিয়েছিল।

মাহদী হাসান এবং তার সঙ্গে আসা এক নারী নয়াদিল্লি রেল স্টেশনের কাছাকাছি পাহাড়গঞ্জ এলাকার একটি হোটেলে ওঠেন। কনট প্লেসের ওই ভিসা কেন্দ্রে অপেক্ষা করার সময়ে কেউ তার ভিডিও রেকর্ড করে নেয়। সেই ব্যক্তি যে কে, সেটা কেউ জানাতে চাননি। তবে তিনি যে মাহদী হাসানকে চিনতে পেরেছিলেন, এটা নিশ্চিত।

Manual4 Ad Code

ভিডিও রেকর্ডকারী ব্যক্তিও সেখানে ভিসা নিতেই গিয়েছিলেন। তবে সেই ব্যক্তি পর্তুগালের জন্য নয়, অন্য কোনো দেশের ভিসা পাওয়ার আবেদন জানাতে গিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার বেলা ১১টা নাগাদ মাহদী হাসানকে চিহ্নিত করা যায়। আমরা কিছুক্ষণের মধ্যে খবর পেয়ে যাই। সেই সময়েই পর পর তার কাছে ভারতীয় আর বাংলাদেশের নানা নম্বর থেকে ফোন আসতে শুরু করে। সেই সব ফোন কারা করছিল, সেটা বলব না, কিন্তু তখনই মাহদী হাসান আন্দাজ করে যে কোথাও একটা গণ্ডগোল হয়েছে।

একটি সূত্র জানায়, একটা নতুন দেশে এসে, যেখানে তাকে কেউ চেনে না – তার কাছে হঠাৎ করে কেন এত অজানা নম্বর থেকে ফোন আসবে! এটা তাকে চিন্তায় ফেলে দেয়। অন্যদিকে কর্মকর্তারা তার ওপরে নজর রাখা শুরু করেন।

Manual2 Ad Code

অন্য সূত্রটি বলছে, ওই ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে তিনি প্রথমে পুরোনো দিল্লির জামা মসজিদ এলাকায় গিয়েছিলেন।

বিবিসি বাংলাকে একটি সূত্র জানায়, বেলা দুটো থেকে আড়াইটের মধ্যে তার (মাহদী) কাছে বাংলাদেশ থেকে কেউ জানায় যে সে চিহ্নিত হয়ে গেছে। তখন সে নিশ্চিত হয় যে অজানা নম্বরগুলো থেকে কারা, কেন ফোন করছিল। এরপরেই সে দিল্লিতে কয়েকটি জায়গায় গিয়েছিল আশ্রয়ের সন্ধানে। কেউই তাকে থাকতে দিতে রাজি হয়নি।

বিবিসি বাংলা যে দুজনের সঙ্গে কথা বলেছে, তাদের একজন জানিয়েছেন, মাহদী হাসান দিল্লি থেকেই ভিসা নিয়ে পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। তার সঙ্গে যে নারী ছিলেন, তিনি মাহদীর এক আত্মীয়।

শেয়ার করুন