Beanibazarer Alo

  সিলেট     রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৫শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেখার হাওরের বাঁধে ভাঙন, কৃষকের প্রচেষ্টায় ফসল রক্ষা

admin

প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২৬ | ১১:৫১ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০২৬ | ১১:৫১ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
দেখার হাওরের বাঁধে ভাঙন, কৃষকের প্রচেষ্টায় ফসল রক্ষা

Manual6 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

Manual8 Ad Code

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার দেখার হাওরের গুজাউনি বাঁধ ভাঙন দেখা দিলেও কৃষকদের মরিয়া প্রচেষ্টায় এ যাত্রায় ফসলের কোন ক্ষতি হয়নি। স্থানীয় কৃষকরা মিলে বাঁধটি মেরামত করেছেন।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে বাঁধটি ভেঙে হাওরে পানি প্রবেশ শুরু হয়। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গোবিন্দপুর-মদনপুর গ্রামের খালের পাড়ের বাঁধটির একটি অংশ ভেঙে যায়। এতে হাওরের পূর্ব অংশে আগে থেকেই জলাবদ্ধ থাকা পানি প্রবল বেগে হাওরের পশ্চিম অংশে প্রবেশ করতে শুরু করে। সকালে বিষয়টি দেখতে পেয়ে সদর উপজেলার গোবিন্দপুর, মদনপুর এবং শান্তিগঞ্জ উপজেলার আস্তমা, কাইক্কারপাড়সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের কৃষক জড়ো হয়ে বাঁধটি রক্ষায় কাজ শুরু করে কয়েক ঘন্টার চেষ্টায় সফল হন। এখন বাঁধটি মজবুত করতে কাজ করছেন তারা।

বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকতে শুরু করলে স্থানীয় শত শত কৃষক স্বেচ্ছাশ্রমে মাটি ও বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

Manual4 Ad Code

স্থানীয়দের অভিযোগ, চলতি বছর এ বাঁধে পিআইসি কমিটির মাধ্যমে কোনো কাজ না হওয়ায় এটি দুর্বল হয়ে পড়ে। এ ছাড়া দায়িত্বশীলদের অবহেলায় হাওরের অনেক বাঁধেই কাজ হয়নি। ফলে পানির চাপে সেগুলো ভেঙে গিয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Manual1 Ad Code

স্থানীয় কৃষক ফারুক মিয়া বলেন, “অনেক চেষ্টা করে বাঁধ দিয়ে পানি প্রবেশ কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও আশঙ্কা রয়ে গেছে। বাঁধ ভালোভাবে নির্মাণ করা খুবই প্রয়োজন। না হলে আমাদের দুঃখের শেষ থাকবে না।”

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আদিত্য পাল বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ দ্রুত মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং কাজ চলমান রয়েছে।

Manual4 Ad Code

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, ‘বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকলেও কৃষকরাই দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসায় বোরো ধানের তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।’

পানি উন্নয়ন বোর্ড সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, এই বাঁধটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় নয়, এটি মূলত খালের পাড়ের একটি অংশ। তারপরও বাঁধের একাংশ ভেঙে হাওরে পানি ঢুকতে শুরু করলে গ্রামবাসীদের প্রচেষ্টায় তা দ্রুত মেরামত হয়েছে।

শেয়ার করুন