Beanibazarer Alo

  সিলেট     শনিবার, ২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতে যৌনপাচার চক্র থেকে উদ্ধার দুই বাংলাদেশি যুবতী

admin

প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৫ | ১২:৪০ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৫ | ১২:৪০ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
ভারতে যৌনপাচার চক্র থেকে উদ্ধার দুই বাংলাদেশি যুবতী

Manual5 Ad Code

নিউজ ডেস্ক :
ভারতে পাচার হওয়া বাংলাদেশি দুই যুবতীকে উদ্ধার করেছে পুনে পুলিশ। বিউটি সেলুনে ভাল বেতনে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে তাদের পাচার করা হয়েছিল। পক্ষান্তরে তারা পড়েছিলেন যৌনপাচারকারী চক্রের হাতে। ওই দুই যুবতী পুনে শহরে পৌঁছার পর তাদেরকে যৌন ব্যবসায় নিয়োজিত করা হয়।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশ ধনকাওয়াড়ি এলাকার বাসিন্দা রাজু পাটিল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। ধারণা করা হচ্ছে সে এই পাচারচক্রের মূল হোতা।

পুলিশের বক্তব্য, তার স্ত্রীও এই অপরাধে জড়িত। তাকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ ঘটনায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-এর বিভিন্ন ধারায়, নারী ও শিশু পাচার প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় শুক্রবার ভারতী বিদ্যাপীঠ থানায় মামলা করা হয়েছে।

Manual2 Ad Code

পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার এক নারী পুনে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ফোন করে জানান যে, তাকে জোরপূর্বক দেহব্যবসায় নামানো হচ্ছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সহকারী পুলিশ পরিদর্শক স্বপ্নিল পাটিলের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে কাত্রাজ এলাকায় ওই নারীকে নিরাপদে উদ্ধার করে।

Manual5 Ad Code

পুলিশের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ২২ বছর বয়সী ওই নারী বাংলাদেশের নাগরিক। ধারণা করা হচ্ছে, কিছু দালাল পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত অবৈধভাবে পেরিয়ে তাকে ভারতে নিয়ে আসে বিউটি পার্লারে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে। পরে তাকে পুনেতে এনে প্রায় দুই বছর ধরে যৌনপাচার চক্রের হাতে বিক্রি করে দেওয়া হয়। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তিনি অবশেষে সাহস করে পুলিশের হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করেন।

Manual5 Ad Code

উদ্ধারের পর ওই নারী পুলিশকে জানান, আরও এক বাংলাদেশি নারীকে প্রায় এক মাস আগে একইভাবে পাচার করে যৌনপেশায় বাধ্য করা হয়েছে।

Manual7 Ad Code

সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে সিনিয়র পুলিশ পরিদর্শক রাহুলকুমার খিলারের নেতৃত্বে আরেকটি দল অভিযান চালিয়ে আমবেগাঁও পাঠার এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে ২০ বছর বয়সী দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করে।

খিলারে বলেন, দুই নারীকে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভারতে নেয়া হয়। পরে জোরপূর্বক দেহব্যবসায় নামানো হয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আমরা এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছি। সে এক ভুক্তভোগী নারীকে তার ফ্ল্যাটে আটকে রেখেছিল। আদালত তাকে তিন দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে। তার স্ত্রীকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ আরও জানায়, বাংলাদেশ থেকে এই নারীদের ভারতে নিয়ে স্থানীয় যৌনপাচার চক্রের হাতে তুলে দেওয়ার সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

শেয়ার করুন