ডিজিটাল ডেস্ক :
ভিন্ন দেশ হলেও মোবাইল অ্যাপ ইমুতে পরিচয়। তারপর প্রেম, পরে মোবাইল ফোনে বিয়ে। বিয়ের পরে ভিনদেশি স্বামীর কাছে যাওয়ার পথে অনুপ্রবেশের অভিযোগে বিএসএফের হাতে আটক হয়েছে বৃষ্টি খাতুন (২৫) নামে এক নারী। এসময় তার কোলে ছিল ৩ বছরের শিশু সন্তান আয়েশা।
এদিকে আটক ওই নারীকে শনিবার (২৩ মে) সকালে পঞ্চগড় সদর থানায় হস্তান্তর করে পাসপোর্ট আইনে মামলা দায়ের করেছে নীলফামারী-৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদস্য।
আটক বৃষ্টি খাতুন মাদারীপুর জেলার শিবচর থানার দওপাড়া এলাকার কহিনুর মুন্সির মেয়ে। সে ওই এলাকার ইমরান হোসেনের স্ত্রী ছিলেন। পারিবারিক কলহের পর তাদের ছাড়াছাড়ি হয়।
এদিকে বৃষ্টির দাবি, মোবাইল ফোনে ভারতের মুর্শিদাবাদ এলাকার বাসিন্দা মাইদুল শেখের কাছে এক দালালের মাধ্যমে যাচ্ছিলেন তিনি।
পুলিশ ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, নীলফামারী-৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অমরখানা ইউনিয়নের মাধুপাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ পঞ্চগড় সীমান্ত এলাকার মেইন পিলার ৭৫১ এর প্রায় ১৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে সিপাহীপাড়া থেকে শুক্রবার (২২ মে) ভোরে বৃষ্টি খাতুন (২৫) ও তার তিন বছর বয়সী মেয়ে আয়েশা খাতুনকে আটক করে বিএসএফের ৯৩ চানাকিয়া ক্যাম্পের টহল দল।
পরে একই দিন বিকেলে বিএসএফ বিষয়টি ৫৬ বিজিবির মাধুপাড়া কোম্পানি কমান্ডারকে মোবাইল ফোনে অবহিত করে। পরে রাতে বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আটককৃতদের পরিচয় যাচাই-বাছাই শেষে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আটক বৃষ্টি খাতুন সময় সংবাদকে বলেন, ‘মোবাইল অ্যাপ ইমোর মাধ্যমে পরিচয় হয়। এরপর দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। এক পর্যায়ে আমরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিয়ে করি। স্বামীকে কাছে পেতে বাংলাদেশ থেকে দালালের মাধ্যমে ভারতে স্বামীর যাচ্ছিলাম।’
এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, বিজিবির হস্তান্তর কার্যক্রমের পর এজাহার মূলে থানায় পাসপোর্ট আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আরও জানা গেছে, ভারতে তার স্বামীর কাছে পাসপোর্ট ছাড়া যাওয়ার সময় আটক হয়েছে।