Beanibazarer Alo

  সিলেট     বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৮শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত পদে আলোচনায় সিলেটের মুশফিক

admin

প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬ | ০৬:৪৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: ০৮ মার্চ ২০২৬ | ০৮:০৪ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত পদে আলোচনায় সিলেটের মুশফিক

Manual4 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

Manual8 Ad Code

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। শীঘ্রই সেখানে নতুন রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত করা হবে। কে হবেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুর রাষ্ট্রদূত তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

Manual6 Ad Code

যুক্তরাজ্যে নতুন রাষ্ট্রদূত হওয়ার আলোচনায় রয়েছেন সিলেটের মুশফিক ফজল আনসারী। মুশফিক বর্তমানে মেক্সিকোয় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন। তিনি প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সহকারী প্রেস সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া গত আওয়ামী লীগ আমলে ওয়াশিংটন, ডিসিতে সাংবাদিক হিসেবে কর্মরত থাকাকালে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করে আলোচিত হন।

Manual1 Ad Code

মুশফিক ফজল আনসারি ছাড়াও রাশিয়ায় নিযুক্ত সহকারী রাষ্ট্রদূত ফয়সল আহমেদের নামও এ পদের জন্য আলোচিত হচ্ছেন। তাদের মধ্য থেকে একজনকে যুক্তরাজ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মিশনে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারেন বলে সংশ্লিস্ট সূত্রে জানা গেছে।

এরআগে শনিবার রাষ্ট্রদূত আবিদাকে প্রত্যাহারের তথ্য নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবীর বলেন, একটি সুসংবাদ হলো, লন্ডনে নিযুক্ত যে হাইকমিশনার এতদিন বিভেদমূলক আচরণ ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আমাদের কমিউনিটিকে বিভক্ত করে রেখেছিলেন এবং সবকিছুতে দলীয়করণের (আওয়ামীকরণ) চেষ্টা করেছেন, তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি কমিউনিটির স্বার্থ কিংবা বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের তোয়াক্কা না করে কেবল দলীয় স্বার্থ হাসিল করতেই ব্যস্ত ছিলেন।

Manual8 Ad Code

তিনি কমনওয়েলথের এক সফরে ব্রিটেনে এসে হিথ্রো বিমানবন্দরে নেমেই সাংবাদিকদের এমনটি বলেন। বিমানবন্দরে হুমায়ূন কবীবের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আবিদা ইসলামকে লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়। তবে তার বিরুদ্ধে শুরু থেকেই আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সরকারের প্রতি অতিরিক্ত আনুগত্য প্রদর্শনের অভিযোগ ছিল বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে।

এর মধ্যে লন্ডনে বাংলাদেশ সেন্টারকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে একটি বড় বিতর্ক তৈরি হয়, যা প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি অযাচিত ভাবে বৈঠক ডেকে তারপর সেখানে হাই কমিশনের কর্মকর্তা দিয়ে অশোভন আচরণ করিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে নিজে পুলিশ ঢেকে তারপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।

শেয়ার করুন