Beanibazarer Alo

  সিলেট     বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি নারীকে হত্যা, যা বললেন ট্রাম্প

admin

প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২৬ | ১১:১১ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০২৬ | ১১:১২ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি নারীকে হত্যা, যা বললেন ট্রাম্প

Manual8 Ad Code

নিউজ ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে গত ২ এপ্রিল নিলুফার ইয়াসমিন (৪২) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি নারীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যায় অভিযুক্ত রোলবার্ট জোয়াচিনকে ঘটনার পরপরই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এবার হামলার সেই ভিডিও প্রকাশ করে আবারও অভিবাসন বিতর্ক উসকে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

Manual6 Ad Code

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প হামলার সিসিটিভি ভিডিও শেয়ার করেন এবং একে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অভিবাসন নীতির ফল বলে দাবি করেন। তিনি অভিবাসীদের সঙ্গে অপরাধের যোগসূত্র টেনে বিতর্কিত মন্তব্যও করেন।

Manual5 Ad Code

পোস্টে তিনি বলেন, নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ভিডিওটি আপনার জীবনে দেখা সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনাগুলোর একটি হবে। তিনি হত্যাকারীকে পশু হিসেবে উল্লেখ করেন।

Manual1 Ad Code

তিনি আরও বলেন, বাইডেন প্রশাসন সব হাইতিয়ানদের অস্থায়ী সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা দিয়েছে। এটি একটি প্রতারণামূলক কর্মসূচি, যা বন্ধ করতে আমার প্রশাসন কাজ করছে। এই হত্যাকাণ্ডের পর উগ্রপন্থী বিচারকদের আমার অভিবাসন নীতিতে বাধা দেওয়া উচিত না।

একই পোস্টে ট্রাম্প ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, তারা বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে অপরাধী, উন্মাদ ও মানসিকভাবে অসুস্থ মানুষকে যাচাই-বাছাই ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দিচ্ছে।

Manual7 Ad Code

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই ৩ লাখ ৫০ হাজারের বেশি হাইতিয়ান নাগরিকের জন্য দেওয়া এই অস্থায়ী সুরক্ষা কর্মসূচি বাতিলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে চলতি বছরের শুরুতে এক ফেডারেল বিচারক সেই উদ্যোগ স্থগিত করেন।

এদিকে, মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এক বিবৃতিতে জানায়, অভিবাসন কর্তৃপক্ষ পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে সহায়তা করেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত রোলবার্ট জোয়াচিন ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন এবং একই বছর তার বিরুদ্ধে বহিষ্কারাদেশ জারি হয়। পরে তিনি অস্থায়ী সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় থাকার অনুমতি পান, যা ২০২৪ সালে শেষ হয়।

ঘটনার পর নিহত নারীর স্মরণে গ্যাস স্টেশনের বাইরে একটি স্মৃতিচিহ্ন স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যরা এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

শেয়ার করুন