Beanibazarer Alo

  সিলেট     মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৭শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যেসব শিক্ষার্থীদের ভিসা দেবে না যুক্তরাজ্য

admin

প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৬ | ১০:১৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: ০৪ মার্চ ২০২৬ | ১০:১৬ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
যেসব শিক্ষার্থীদের ভিসা দেবে না যুক্তরাজ্য

Manual5 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

Manual2 Ad Code

অভিবাসনবিরোধী মনোভাব বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে চার দেশের শিক্ষার্থীদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। দেশগুলো হলো আফগানিস্তান, ক্যামেরুন, মিয়ানমার ও সুদান। তাছাড়া আফগান নাগরিকদের জন্য কর্মভিসাও স্থগিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এক বিবৃতিতে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (হোম অফিস) জানায়, চার দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রথমবারের মতো ভিসায় জরুরি ব্রেক আরোপ করা হয়েছে। শিক্ষা ভিসায় এসে আশ্রয় আবেদন করার হার বেড়ে যাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Manual6 Ad Code

হোম অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে উল্লিখিত চার দেশের শিক্ষার্থীদের আশ্রয় আবেদন ৪৭০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

Manual3 Ad Code

স্বরাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রী শাবানা মাহমুদ বলেন, যুদ্ধ ও নিপীড়ন থেকে পালিয়ে আসা মানুষকে ব্রিটেন সবসময় আশ্রয় দেবে, কিন্তু আমাদের ভিসা ব্যবস্থা অপব্যবহার করা যাবে না।

Manual2 Ad Code

তিনি আরও বলেন, যারা আমাদের উদারতাকে কাজে লাগাতে চায়, তাদের ভিসা প্রত্যাখ্যানের এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি।

যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে অভিবাসন এখন বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে। অভিবাসনবিরোধী অবস্থানের কারণে কট্টর ডানপন্থি দল রিফর্ম ইউকে জনমত জরিপে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকার জনমত প্রশমিত করতে এবং অবৈধভাবে আসা ব্যক্তিদের দ্রুত ফেরত পাঠাতে আশ্রয় প্রক্রিয়া কঠোর করেছে।যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা পিএ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার অভিবাসন বিধিতে পরিবর্তনের মাধ্যমে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে। একই দিনে মন্ত্রী মাহমুদ কঠোর আশ্রয় প্রক্রিয়া নিয়ে বক্তব্য দেবেন। নতুন প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের শরণার্থী মর্যাদা প্রতি ৩০ মাস অন্তর পর্যালোচনা করা হবে। সরকার মনে করছে, এতে দেশটি আশ্রয়প্রার্থীদের কাছে কম আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।হোম অফিস জানায়, ২০২৫ সালে শিক্ষার্থীদের আশ্রয় আবেদন ২০ শতাংশ কমানো গেলেও, স্টাডি ভিসায় আসা ব্যক্তিরা এখনও মোট আশ্রয় আবেদনের ১৩ শতাংশ। তাই আরও পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছে সরকার।

শেয়ার করুন