Beanibazarer Alo

  সিলেট     মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে কিশোরীকে নিয়ে পালিয়ে থাকার ১৮ দিন পর প্রেমিক কারাগারে

admin

প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ০৪:৩৯ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ০৪:৩৯ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
জগন্নাথপুরে কিশোরীকে নিয়ে পালিয়ে থাকার ১৮ দিন পর প্রেমিক কারাগারে

Manual1 Ad Code

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি:
প্রেমিকাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ১৮ দিন পর ফিরে এসে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় কারাগারে যেতে হয়েছে প্রেমিককে।

এ ঘটনায় শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থানায় ওই প্রেমিকার মা বাদী হয়ে প্রেমিক রাসেল আহমদের (২৩) বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন (অপহরণ ও ধর্ষণ) আইনে মামলা করেন।

Manual4 Ad Code

পরে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সুনামগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

Manual8 Ad Code

অভিযুক্ত রাসেল জগন্নাথপুর পৌরসভার হবিবনগর এলাকার চাঁন মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি অভিযুক্ত রাসেল আহমদ কেশবপুর এলাকার ৮ম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যান। ঘটনার ১৮ দিন পর বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত রাসেল ওই স্কুল ছাত্রীকে নিয়ে নিজ এলাকায় ফিরে আসেন। পরে উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে অভিযুক্ত রাসেলসহ ওই স্কুল ছাত্রীকে আটক করে পুলিশ।

এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া খানম সাথী বলেন, মেয়েটির সঙ্গে ওই ছেলের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। মেয়েটি ওই ছেলের সঙ্গে পালিয়ে যায়। ১৮ দিন পর ফিরে আসায় স্থানীয়দের ভয়ে মেয়ের মা তাদের আমার বাড়িতে নিয়ে আসনে। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ তাদের নিয়ে যায়।

Manual5 Ad Code

তবে প্রেমের বিষয়টি অস্বীকার করে মামলার বাদী ওই স্কুল ছাত্রীর মা বলেন, ছেলেটি আমার মেয়েকে স্কুলে যাওয়া আসার পথে প্রায় উত্ত্যক্ত করত এবং প্রেমের প্রস্তাব দিত। বিষয়টি জানতে পেরে আমি ওই ছেলেকে আমার মেয়ের সাথে এমন আচরণ করতে বারণ করায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার মেয়েকে অপহরণ করে। মেয়েকে ফিরে পাওয়ার পর জানতে পারি; রাসেল আমার মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে। তাই আমি মামলা করেছি। আমি এর বিচার চাই।

এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ওই স্কুল ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মামলা করায় আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে ভিকটিমকে (ওই স্কুল ছাত্রী) চিকিৎসকের পরীক্ষার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

Manual6 Ad Code

শেয়ার করুন