Beanibazarer Alo

  সিলেট     শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১২ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মা-বাবাকে হত্যার দায়ে সিলেট গোলাপগঞ্জের ছেলের মৃত্যুদণ্ড

admin

প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৩ | ০৪:৩৮ অপরাহ্ণ | আপডেট: ৩০ মার্চ ২০২৩ | ০৪:৩৮ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
মা-বাবাকে হত্যার দায়ে সিলেট গোলাপগঞ্জের ছেলের মৃত্যুদণ্ড

Manual6 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
বাবা-মা হত্যার দায়ে সিলেটে আতিকুর রহমান রাহেলের (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৩০মার্চ) সকালে সিলেটের দায়রা জজ আদালতে সিনিয়র বিচারক মশিউর রহমান চৌধুরী এ রায় দেন। রায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আতিকুর রহমান রাহেল সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার সুনামপুর গ্রামের আবদুল করিম খান ওরফে ঠাকুর মনার ছেলে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিজাম উদ্দিন জানান, ২০২০ সালের ২৭ মার্চ সিলেটের গোলাপগঞ্জে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাবা আবদুল করিম খান (৬০) ও মা মিনারা বেগম (৪৫) কে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে আতিক হোসেন খান ওরফে আতিকুর রহমান রাহেল (৩৫) নামক এক ব্যক্তি।

Manual5 Ad Code

পরে, তার ভাই দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ২৮ মার্চ গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযুক্ত আতিককে আটক করে। এরপর ধারাবাহিক বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায়ের তারিখ ঘোষণা করেন সিলেট জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক।

Manual3 Ad Code

রাষ্ট্রপক্ষের কুশলী এডভোকেট নিজাম উদ্দিন আহমদ জানান, সকল সাক্ষ্য প্রমাণে আতিকুর রহমান দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আদালত মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন।

Manual2 Ad Code

তবে, রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।

Manual6 Ad Code

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২৭ মার্চ সকালে উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের সুনামপুর গ্রামে আবদুল করিম খান এর ছেলে রাহেল আহমদ বাড়ির সামনের গাছ কাটতে গেলে তার বাবা করিম খান ও তার মাতা মিনারা বেগম বাধা দেন। এ সময় তাদের সাথে ছেলের বাকবিতণ্ডা হলে এক পর্যায়ে রাহেল আহমদ উত্তেজিত হয়ে হাতে থাকা কোদাল ও দা দিয়ে বাবা ও মাতার উপর হামলা করে।

স্থানীয়রা তাদের চিৎকার শোনে এগিয়ে আসলে ছেলে রাহেল আহমদ পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই করিম খান মৃত্যুবরণ করেন। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা মিনারা বেগমকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এরপর কিছুটা সুস্থ হলে মিনারা বেগমকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে হঠাৎ আবার শরীর খারাপ হয়ে গেলে গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

শেয়ার করুন