Beanibazarer Alo

  সিলেট     শুক্রবার, ২রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিজয় দিবসে মোদীর পোস্ট, নেই বাংলাদেশের নাম

admin

প্রকাশ: ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ | ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ | ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-

Manual3 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

বিজয় দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ওই পোস্টে তিনি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের ঘটনাকে ভারতের বিজয় দিবস হিসেবে উল্লেখ করলেও সেখানে একবারও বাংলাদেশের নাম উল্লেখ করেননি।

Manual6 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

 

Manual4 Ad Code

পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলাদেশ। যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে যোগ দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। সেই প্রেক্ষাপটে ভারতও ১৬ ডিসেম্বরকে নিজেদের ‘বিজয় দিবস’ হিসেবে পালন করে থাকে।

তবে ঐতিহাসিকভাবে এই দিনের মূল বিজয় ছিল বাংলাদেশের। কারণ এই দিনেই বাঙালি জাতি পেয়েছিল তাদের বহু কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা এবং জন্ম নিয়েছিল স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ।

 

মোদীর পোস্টে লেখা হয়, বিজয় দিবসে আমরা আমাদের সেই সাহসী সেনাদের স্মরণ করছি, যাদের সাহসিকতা ও আত্মত্যাগ ১৯৭১ সালে ভারতের এক ঐতিহাসিক বিজয় নিশ্চিত করেছিল। তাদের দৃঢ় মনোবল ও নিঃস্বার্থ সেবা আমাদের দেশকে রক্ষা করেছে এবং আমাদের ইতিহাসে একটি গৌরবান্বিত মুহূর্ত খোদাই করেছে। এই দিনটি তাদের সাহসকে সম্মান জানায় ও তাদের অসাধারণ মনোবলকে মনে করিয়ে দেয়। সেনাদের এই বীরত্ব ভারতের বহু প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।এর আগে ভারতের সেনাবাহিনীও বিজয় দিবস উপলক্ষে একটি আলাদা পোস্ট দেয়। সেই পোস্টে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের কথা উল্লেখ করে জানায়, বিজয় দিবস শুধুমাত্র একটি তারিখ নয়; এটি ১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ও চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতীক।

Manual7 Ad Code

ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছিল ভারতীয় সেনারা। এটি ছিল সেই বিজয়, যেখানে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী একসঙ্গে লড়াই করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামকে চূড়ান্ত পরিণতির দিকে নিয়ে যায়।

 

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, এই বিজয় ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইতিহাসকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছে, দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্রকে নতুন করে অঙ্কন করেছে ও নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশ-এর জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর চালানো নৃশংসতা, অত্যাচার ও নিষ্ঠুরতারও অবসান ঘটায় এই যুদ্ধ।

শেয়ার করুন