Beanibazarer Alo

  সিলেট     শনিবার, ৩রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে ভোট যু*দ্ধ থেকে সরে গেলেন ১১জন

admin

প্রকাশ: ২০ জানুয়ারি ২০২৬ | ১০:৩৪ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২০ জানুয়ারি ২০২৬ | ১০:৩৪ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
সিলেটে ভোট যু*দ্ধ থেকে সরে গেলেন ১১জন

Manual7 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

সিলেটে ভোটের মাঠে তারা ছিলেন সরব। নিজের দলের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্রও দাখিল করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তারা দলীয় আনুগত্য প্রদর্শন করেছেন নিজেদের ভোটের মাঠ থেকে সরিয়ে নিয়ে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) শেষ দিনে তারা নিজেদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

ভোটযুদ্ধ ছেড়ে দেওয়া এই ১১ জনের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত প্রার্থী ছিলেন সিলেট-৬ গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফয়সল আহমদ চৌধুরী। তিনি ২০১৮ সালেও এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসাবে ভোটযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। এবারও তিনি দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে প্রথম দফায় বিএনপি এই আসনে দলীয় প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করে সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরীর নাম। এমন ঘোষণায় ফয়সল চৌধুরীর কর্মী ও সমর্থকরা বিরূপ প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করেন এবং তারা এই সিদ্ধান্ত রিভিউর দাবি জানান। তবে ডিসেম্বরের শেষের দিকে এসে দল থেকে ফয়সল আহমদ চৌধুরীকেও মনোনয়নপত্র দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি সে অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলও করেন।ভোটযুদ্ধ ছেড়ে দেওয়া এই ১১ জনের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত প্রার্থী ছিলেন সিলেট-৬ গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফয়সল আহমদ চৌধুরী। তিনি ২০১৮ সালেও এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসাবে ভোটযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। এবারও তিনি দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে প্রথম দফায় বিএনপি এই আসনে দলীয় প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করে সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরীর নাম। এমন ঘোষণায় ফয়সল চৌধুরীর কর্মী ও সমর্থকরা বিরূপ প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করেন এবং তারা এই সিদ্ধান্ত রিভিউর দাবি জানান। তবে ডিসেম্বরের শেষের দিকে এসে দল থেকে ফয়সল আহমদ চৌধুরীকেও মনোনয়নপত্র দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি সে অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলও করেন।এতে তার নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হয়ে উঠেন। তারা তাকেই মূল প্রার্থী হিসাবে ধরে নিয়ে আবারও ভোটের মাঠে সক্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত দল থেকে আর গ্রিন সিগনাল পাননি। বরং তাকেই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে। তিনি মঙ্গলবার তাই করেছেন। ভোটযুদ্ধ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

এদিকে সিলেট-৩ ( দক্ষিন সুরমা- ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ) আসনের আলোচিত প্রার্থী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মাওলানা লোকমান আহমদও নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তিনি হয়েছেন জোট রাজনীতির বলি। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন  ১০ দলীয় জোট এ আসনটি ছেড়ে দিয়েছে খেলাফত মজলিস নেতা হাফিজ মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন রাজুকে। অথচ এই আসনে বিএনপি প্রার্থী এমএ মালিকের জন্য শক্ত চ্যালেঞ্জ হিসাবেই দেখা হচ্ছিল লোকমান আহমদকে। এমনকি, কেউ কেউ তার জয়ের সম্ভাবনাও দেখছিলেন।

Manual5 Ad Code

এ আসনে ভোটযুদ্ধ থেকে সরে যাওয়া অপর প্রার্থীরা হলেন, খেলাফত মজলিসের দিলওয়ার হোসাইন ও জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির নুরুল হুদা জুনেদ।

Manual8 Ad Code

সিলেট-৪ (কোম্পানীগঞ্জ- গোয়াইনঘাট- জৈন্তাপুর) আসনেও ভোটের মাঠে আলোড়ন তোলার চেষ্টায় ছিলেন খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী আলী হাসান ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির প্রার্থী মো. রাশেল উল আলম। তবে শেষ পর্যন্ত স্বপ্নপূরণ হলোনা তাদের। জোট রাজনীতির বলি হয়ে দু’জনকেই সরে যেতে হলো নির্বাচনের মাঠ থেকে।

সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনে জোট রাজনীতির বলি হয়েছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের প্রার্থী হাফিজ মো. আনওয়ার হোসাইন খান। ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীর সমর্থনে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়য়েছেন।

Manual7 Ad Code

সিলেট-১ (নগর-সদর)  আসন থেকে জোট রাজনীতির বলি হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির এহতেশামুল হক ও খেলাফত মজলিসের প্রার্থী তাজুল ইসলাম হাসান।

Manual5 Ad Code

আর সিলেট- (বিশ্বনাথ- ওসামানীনগর) ২ আসন থেকে গণঅধিকার পরিষদের জামান আহমেদ সিদ্দিকী ও জামায়াতে ইসলামীর মো. আব্দুল হান্নান ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

শেয়ার করুন